স্বামীর যেসব গুণাবলীর কারণে স্ত্রীরা তাদের ভালোবাসেন

5
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না
রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

আমরা জানি,আমাদের মাঝে সে ব্যক্তি ভালো যে তার স্ত্রীর কাছে ভালো। একজন পুরুষ ভালো জীবনসঙ্গী হিসেবে তার স্ত্রীর কাছে ভালো স্বামী হতে পারেন নানান উপায়ে। স্ত্রীর কাছে স্বামীরা যেসব গুণাবলীর কারণে ভালো হয় তার মাঝে উল্লেখযোগ্য কিছু গুণ হলো —

read-copy

১) স্ত্রীর প্রতি তিনি সুন্দর ব্যবহার করেন। উত্তম শব্দ ব্যবহার করে কথা বলেন। তার প্রতি তিনি নম্র ও দয়ার্দ্র থাকেন।

২) জীবনসঙ্গিনীর অধিকারের বিষয়গুলো তিনি অবহেলা করেন না, তা পরিপূর্ণভাবে পূরণ করতে চেষ্টা করেন।

৩) বাইরে নানান কাজে থাকলেও অন্য কোন মহিলার ব্যাপারে তিনি আগ্রহী হন না। দৃষ্টিকে সংযত রাখেন, হৃদয়েকেও অত্যন্ত সচেতনভাবে সতর্ক রাখেন।

৪) নিজে ইসলাম শিখেন নিয়মিত, স্ত্রীকে নিয়ে শিখেন এবং তাকে উৎসাহিত করেন। দু’জনে মিলে ইসলামকে পালনের চেষ্টা করেন।

৫) জীবনসঙ্গিনী যখন খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যায়, তিনি শক্ত অবলম্বন হয়ে তার পাশে থাকেন।

৬) যদি তার স্ত্রী কখনো তাকে কষ্ট বা আঘাত দিয়ে ফেলে, তিনি নিজেকে শান্ত রাখেন। খেপে যান না কেননা তিনি ধরেই নেন স্ত্রী হয়ত তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট দিতে চাননি, অসতর্কতায় এমনটি হয়ে গেছে।

৭) জীবনসঙ্গিনীর ছোট ছোট ভুলগুলো তিনি এড়িয়ে যান এবং তার ভালো কাজগুলোকে উৎসাহিত করেন। তার পরিশ্রমের কাজগুলোর ব্যাপারে প্রশংসা করেন।

৮) ঘরের কাজগুলোতে স্ত্রীকে সাধ্যমতন সাহায্য করেন। তার জন্য কাজ ফেলে রেখে দেন না।

৯) সন্তানদেরকে ইসলামিক জ্ঞানে এবং আচরণে বড় করার ব্যাপারে সচেতন থাকেন। সন্তানদের ইসলামিকভাবে বড় করা নিয়ে চিন্তাভাবনা করে আলাপ করে স্ত্রীর সাথে। বাবা-মায়ের আচরণ সন্তানদের প্রভাবিত করে, তাই বাবা-মায়েরা নিজেরাও সচেতন থাকেন নিজেদের ব্যক্তিগত চরিত্র, স্বভাব এবং আচরণ নিয়ে।

১০) কোন কারণে মনোমালিন্য হলেও ঘরের বাইরে কখনো দু’জনে আলাদা হন না, স্ত্রী বাইরে যাবার প্রয়োজন হলে সবসময় তাকে সঙ্গ দেন। মাঝে-মাঝেই দু’জনে মিলে ঘুরতে যান যেন স্ত্রী কিছুটা সময় তার সঙ্গ পেয়ে আনন্দিত হয় যা তাদের সম্পর্ককে প্রগাঢ় করবে।

[divider]

আল্লাহ্‌ভীরু জীবন সঙ্গী/সঙ্গিনী খুজতে ভিজিট করুন

http://bd.purematrimony.com/ –Pure Matrimony Bangladesh

প্রবন্ধটি নেওয়া হয়েছে “দাম্পত্য টিপস” ওয়েবসাইট থেকে

Print Friendly, PDF & Email


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

5 মন্তব্য

  1. একটা মেয়ে যখন বিবাহ নামক আল্লাহ্‌র বিধান মানার মাধ্যমে তাঁর পরিচিত গণ্ডি ছেরে ভিন্ন একটা পরিবেশ ভিন্ন একটা পরিবার অপরিচিত সব মানুষদের মাঝে এসে বসবাস করা শুরু করে আর তখন এ অপরিচিত সবার মাঝ থেকে একজন মানুষ হয়ে উঠে তাঁর সবচেয়ে আপন তিনি হচ্ছেন তাঁর স্বামী ।

  2. এখানে প্রশ্নকারীর ‘অসার’ কথাটা নিজের ভাষায় বলি
    দয়া করে ভুল বললে আল্লাহর বান্দারা আমাকে জানাবেন প্লিজ
    একটা পুরুষের যেমনি অধিকার নেই কোন কারণে একটা মেয়ের দিকে কুদৃষ্টি দেয়া ঠিক তেমনি আমি এটাও মনে করি যে কোন মেয়ে মানুষের এই অধিকারও নাই যে নিজের সুন্দর প্রদর্শনের নামে কৃত্রিম ভাবে পুরুষদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করা
    যদি এটা ঠিক হয়, আর কোন মেয়ে যদি বলে আমি পুরুষের কাছে সৌন্দর্য না বরং নিজ সমলিঙ্গের কাছে সুন্দর হতে চাই তাহলে যেন সে পুরুষের সামনে পর্দা করে
    আর এতে সবাই এক হওয়ার কথা যে, উরু, পেট, হাতের বিভিন্ন অংশ, শরীরের বিভিন্ন অংশ বিশেষ ভাবে প্রদর্শন করবে তারাই যারা পুরুষের কাছে নিজেদেরকে সেক্সচুয়াল ভাবে সৌন্দর বলে ভাবাতে চায়, শুধু সুন্দর তা বোঝাতে নয়
    সুতরাং এটা স্পষ্ট যে নিজে উষ্কানি দিয়ে অন্যের ক্ষতি করতে ইসলাম বাঁধা দেয়
    আর বিকৃত মনের মানুষ (যার আল্লাহর প্রতি দৃঢ় আস্থা নেই সেই কেবল মুসলিম হবার সৌভাগ্য অর্জনের পরেও-(যারা মুসলিম তাদের জন্য)) নিজেদের সৌন্দর্যকে বিকৃত করে ভাবে এবং তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরা বানানোর অপচেষ্টা করে মাত্র

  3. স্বামীর যেসব গুণাবলীর কারণে স্ত্রীরা তাদের মাথায় ওঠেন- শীর্ষক একটি লেখা জরূরী। বর্তমানে স্ত্রীগণের খামখেয়ালীপনাকে গুরুত্ব দিয়ে পরিবার ও সমাজে বিশৃংখলার সৃষ্টি হচ্ছে। সমাজ, পরিবার, রাষ্ট্র যখন নারীর নেতৃত্বে চলে যায় তখন সমাজ, পরিবার, রাষ্ট্রে বিপর্জয় সৃষ্টি হয়।
    রাসূল সা. বলেছেন, “যখন নারীরা নেতৃত্ব দেওয়া শুরু করবে তখন মাটির উপরের চেয়ে নীচের অংশ ভাল হবে।” [তিরমযীঃকিতাবুল ফিকান] অনত্র বলা হয়েছে, “পুরুষেরা তখন ধ্বংস হয়ে যাবে যখন তারা নারী নেতৃত্ব মেনে নিবে।” [তিরমিযি]

    মুসলিম স্বামীরা তাদের স্ত্রীদের বিষয়ে ন্যায় সঙ্গত আচরণ করবেন এটা কাম্য কিন্তু স্ত্রীদের সৎ উপদেশ ও সঠিক পথনির্দেশ করা তাদের কর্তব্য। নতুন পরিবারে সে অনেক ভূল সিদ্ধান্ত নিতে পারে কিন্তু একজন নেতা হিসেবে তার টীমের সদস্যগণকে সঠিক দিশা দেয়া তার দায়িত্ব। ভুলকে পরামর্শ, উপদেশসহ সকল উপায়ে সুধরানো তার দায়িত্ব।

    ন্যায় সঙ্গত আচরন করতে হবে; শুধু ভাল আচরণ করাই ন্যায়সঙ্গত সবসময় নাও হতে পারে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.