মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা পর্ব -৪

0
818
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না
রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

লেখক: ড. মো: আমিনুল ইসলাম | সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

পর্ব ১ | পর্ব ২ | পর্ব ৩ | পর্ব ৪ |পর্ব ৫ পর্ব ৬ | পর্ব ৭পর্ব ৮পর্ব ৯পর্ব ১০পর্ব ১১পর্ব ১২পর্ব ১৩পর্ব ১৪পর্ব ১৫

আল্লাহর বাণী ‘আল-কুরআনুল কারীম’-এর সাথে বান্দার আদব

মুসলিম ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার বাণী এবং সকল বাণীর উপর তাঁর বাণীর সম্মান ও মর্যাদায় বিশ্বাস করে। আরও মনে করে, যে ব্যক্তি কুরআন দ্বারা কথা বলে, সে সত্য বলে; আর যে ব্যক্তি তাঁর দ্বারা বিচার ফয়সালা করে, সে ন্যায়বিচার করে; আর তাঁর ধারক-বাহকগণ আল্লাহর পরিবার ও তাঁর নিকটতম বিশেষ ব্যক্তিবর্গ; আর তাঁকে যারা আকড়ে ধরবে, তারা নাজাতপ্রাপ্ত সফলকাম; আর যারা তাঁকে পরিহার করে চলে, তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।

আর আল্লাহ তা‘আলার কিতাবের মহত্ব, পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্বের কারণে মুসলিম ব্যক্তির ঈমানে আরও বৃদ্ধি ঘটাবে, যা বর্ণিত হয়েছে ওহী’র ধারক সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ আমাদের নেতা মুহাম্মদ ইবন আবদিল্লাহ- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে; যেমন:-

  • তিনি বলেন: “তোমরা কুরআন তিলাওয়াত কর; কেননা, কিয়ামতের দিন তা তিলাওয়াতকারীদের জন্য সুপারীশকারীরূপে উপস্থিত হবে।[1]
  • তিনি আরও বলেন: “তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে আল-কুরআনের শিক্ষা লাভ করে এবং তা অন্যকে শিক্ষা দেয়।[2]
  • রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন: “আল-কুআনের ধারক-বাহকগণ আল্লাহর পরিবার ও তাঁর নিকটতম বিশেষ ব্যক্তিবর্গ।[3]
  • তিনি আরও বলেন: “অন্তর মরিচাযুক্ত হয়, যেমনিভাবে লোহতে মরিচা পড়ে; অতঃপর জিজ্ঞাসা করা হল: হে আল্লাহর রাসূল! তা দূর করার উপায় কী? জবাবে তিনি বললেন: কুরআন তিলাওয়াত করা এবং মুত্যুর কথা স্মরণ করা। [4]

আরেক বার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে চরমভাবে ঝগড়াকারীদের কোনো একজন তাঁর নিকট এসে বলল: হে মুহাম্মাদ! তুমি আমার নিকট কুরআন তিলাওয়াত কর, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করেন: “আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচারণ ও আত্মীয়-স্বজনকে দানের নির্দেশ দেন এবং তিনি নিষেধ করেন অশ্লীলতা, অসৎকাজ ও সীমালংঘ করতে; তিনি তোমাদেরকে উপদেশ দেন, যাতে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর।[5]

আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করে শেষ করতে না করতেই প্রচণ্ড ঝগড়াটে ব্যক্তি তাঁর শব্দের মহত্বে ও অর্থের পবিত্রতায় বিস্মিত হয়ে, তার স্পষ্টতায় আক্রান্ত হয়ে এবং প্রভাবিত করার শক্তিতে আকৃষ্ট হয়ে তা পুনরায় তিলাওয়াত করার আবেদন করল; আর সে দেরি করেনি আল্লাহর বাণীর পবিত্রতা ও মহত্বের ব্যাপারে স্বীকৃতি ও সাক্ষ্য প্রদান করতে; কেননা, সে এক বাক্যে বলে ফেলল: “আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই তার মধুরতা রয়েছে, রয়েছে তার সৌন্দর্য ও উজ্জ্বলতা, তার নীচের অংশ সবুজ-শ্যামল এবং উপরের অংশ ফলদায়ক; আর এটা কোনো মানুষের কথা নয়!।” [6]

আর এ জন্য মুসলিম ব্যক্তি তাঁর প্রতি বিশ্বাস করার পাশাপাশি তার হালাল বিষয়কে হালাল মনে করে, তার হারাম বিষয়কে হারাম মনে করে, তার আদবসমূহ যথাযথভাবে পালন করে এবং তার চারিত্রিক ও নৈতিক বিষয়সমূহকে স্বীয় চরিত্র বলে গ্রহণ করে; সুতরাং সে আল-কুরআন তিলাওয়াত করার সময় নিম্নোক্ত আদবসমূহ রক্ষা করে চলবে:

১. অবস্থার পরিপূর্ণতা নিশ্চিত করে পবিত্রতাসহ কিবলামুখী হয়ে আদব ও সম্মানের সাথে বসে কুরআন পাঠ করা।

২. ধীরস্থিরভাবে কুরআন তিলাওয়াত করা এবং এ ক্ষেত্রে তাড়াহুরা না করা; সুতরাং কমপক্ষে তিন দিনের কমে কুরআন খতম করবে না; কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি তিন দিনের কম সময়ের মধ্যে আল-কুরআন পাঠ করে শেষ করে, সে ব্যক্তি তা বুঝতে পারেনি।[7]
আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ ইবন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা প্রতি সপ্তাহে কুরআন খতম করার নির্দেশ দিয়েছেন।[8] যেমন আবদুল্লাহ ইবন মাস‘উদ, উসমান ইবন ‘আফ্ফান ও যায়েদ ইবন সাবেত রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম প্রতি সপ্তাহে একবার কুরআন খতম করতেন। [9]

অনলাইনে নিরাপদ থাকতে ব্যাবহার করুন "Brave ব্রাউজার"। ডাউনলোড করতে এইখানে ক্লিক করুন

৩. কুরআন তিলাওয়াতের সময় বিনয়ী ও ভীতশ্রদ্ধ হওয়া এবং দুঃখ প্রকাশ করা; আর ক্রন্দন করা, অথবা কাঁদতে না পারলে কাঁদার ভান করা; কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “তোমরা কুরআন তিলাওয়াত কর এবং ক্রন্দন করো; আর যদি কাঁদতে না পারো, তাহলে কাঁদার ভান কর।[10]

৪. মধুর সুরে কুরআন তিলাওয়াত করা; কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “তোমরা সুন্দর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত কর।[11]
তিনি আরও বলেন: “যে ব্যক্তি ভাল আওয়াজে কুরআন পড়ে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়। [12]
তিনি আরও বলেন: “আল্লাহ তা‘আলা তাঁর কোনো এক নবী থেকে (মধুময় সুরে) যেভাবে কুরআন শ্রবণ করেছেন, সেভাবে আর কিছুই তিনি শুনেননি।[13]

৫. গোপনে তিলাওয়াত করা, যদি সে তার নিজের ব্যাপারে প্রদর্শনী বা সুখ্যাতি ছড়ানোর আশঙ্কা করে অথবা তার দ্বারা সালাত আদায়কারীর সালাত আদায়ে বিঘ্ন ঘটে; কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “আল-কুরআনের মাধ্যমে নিজেকে প্রচারকারী ঐ ব্যক্তির মত, যে সাদকা করার মাধ্যমে নিজেকে প্রচার করে বেড়ায়। [14] উল্লেখ্য যে, গোপনে সাদকা করাই উত্তম, কিন্তু প্রকাশ করার মধ্যে নির্দিষ্ট কেনো ফায়দা থাকলে ভিন্ন কথা, যেমন— মানুষকে সাদকা করার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রকাশ্যে সাদকা করা; আর কুরআন তিলাওয়াতের বিষয়টিও অনুরূপ।

৬. তাঁর প্রতি ভক্তি, শ্রদ্ধা ও মনোযোগসহ চিন্তা ও গবেষণার সাথে তা তিলাওয়াত করা এবং তাঁর অর্থ ও তাৎপর্য অনুধাবন করা।

৭. কুরআন তিলাওয়াতের সময় তাঁর ব্যাপারে অমনোযোগী এবং তাঁর বিরোধী না হওয়া; কারণ, এমনটি করলে নিজেই নিজের অভিশাপের কারণ হবে; কেননা, সে যদি পাঠ করে: “মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহর লা‘নত।[15] অথবা পাঠ করে: “সাবধান! আল্লাহর লা‘নত যালিমদের উপর।[16] এবং নিজে যদি মিথ্যাবাদী বা যালিম হয়, তাহলে সে নিজেকে নিজে অভিশাপ বা লা‘নতকারী বলে গণ্য হবে।

আর নিম্নোক্ত বর্ণনাটি আল্লাহর কিতাব থেকে মুখ ফিরেয়ে নেয়া গাফিল ব্যক্তিগণের ভুলের পরিমাণ সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিয়েছে; বর্ণিত আছে: “তাওরাত কিতাবে এসেছে যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেন: তুমি কি আমাকে লজ্জা পাও, তোমার কোনো ভাইয়ের নিকট থেকে তোমার কাছে একটি গ্রন্থ আসে এমতাবস্থায় যে, তুমি রাস্তার মধ্যে হাঁটছ, তারপর তুমি সে বইটির কারণে রাস্তা ছেড়ে দিয়ে বসে পড়ছ, তারপর তা পাঠ করছ এবং তা নিয়ে অক্ষরে অক্ষরে গবেষণা করছ, এমনকি তার কোনো কিছুই তোমার কাছ থেকে বাদ যায় না; আর এটা আমার কিতাব, যা আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি, তুমি লক্ষ্য কর তো, তোমার জন্য আমি তাতে কথাগুলো কিভাবে পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করে দিয়েছি, আর তাতে কতবার আমি তার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য তোমাকে তাগিদ দিয়েছি, তারপর তুমি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে, সুতরাং আমি তোমার তথাকথিত ভাইদের কারো কারো চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল, তাই না ? হে আমার বান্দা! তোমার কোনো ভাই তোমার নিকট এসে বসে, তারপর তুমি একেবারে তার মুখোমুখি হয়ে বসে যাও এবং তোমার ষোলআনা মন দিয়ে কান পেতে তার কথা শ্রবণ করতে থাক, তারপর কোনো কথক যদি কথা বলে অথবা তার কথা শুনার সময় কেউ তোমাকে বিরক্ত করে, তাহলে তুমি তার দিকে ইশারা করে বলো যে, তুমি থাম বা চুপ কর; আর আমি তোমার কাছে এসে তোমার সাথে কথা বলি, অথচ তুমি মন- দিল দিয়ে সচেতনভাবে আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও; সুতরাং তুমি কি তোমার ভাইদের কারো কারো চেয়ে আমাকে তোমার নিকটে সবচেয়ে বেশি দুর্বল বলে ধারণা করেছ?! [17]

৮. আল-কুরআনের ধারক ও বাহকগণ তথা আল্লাহর পরিবার ও তাঁর বিশেষ ব্যক্তিবর্গের গুণাবলী দ্বারা গুণান্বিত হওয়ার এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের দ্বারা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা; যেমনটি আবদুল্লাহ ইবন মাস‘উদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেছেন: “আল-কুরআনের পাঠককে এমন হতে হবে যে, তাকে রাতের বেলায় চেনা যাবে, যখন জনগণ ঘুমিয়ে থাকবে, আর দিনের বেলায় চেনা যাবে, যখন জনগণ সাওম পালন না করে পানাহার করবে; আর তাকে চেনা যাবে তাঁর ক্রন্দন দ্বারা, যখন জনগণ হাসবে; আর তাকে চেনা যাবে তার ‘তাকওয়া’ এর দ্বারা, যখন জনগণ পরস্পর মিশে যাবে এবং তাকে চেনা যাবে তার মৌনতার দ্বারা, যখন জনগণ কথাবার্তায় নিমগ্ন হবে; আর তাকে চেনা যাবে তার নম্রতা দ্বারা, যখন জনগণ গর্ব-অহঙ্কার করবে এবং তাকে চেনা যাবে তার দুঃখ-কষ্টের দ্বারা, যখন জনগণ আনন্দ প্রকাশ করবে।” [18]

আর মুহাম্মাদ ইবন কা‘ব বলেন: আমরা আল-কুরআনের পাঠককে চিনতাম তার ফেকাশে বর্ণের চেহারার দ্বারা; তিনি এর দ্বারা তার রাত্রি জাগরণ ও দীর্ঘ সময় ধরে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। আর ওহাইব ইবনুল ওয়ারদ বলেন: জনৈক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হলো তুমি কি ঘুমাও না? জবাবে সে বলল: আল-কুরআনের বিস্ময়কর দিকগুলো আমার ঘুমকে ঘেরাও করে রেখেছে।[19] আর যূন নূন আল-মিসরী আবৃত্তি করে বলেন: (আল-কুরআন তাঁর প্রতিশ্রুতি ও হুমকির দ্বারা বারণ করে অক্ষিগোলককে তার রাতের বেলায়— তুমি ঘুমাবে না)।(তারা মহান অধিপতির বাণী সম্পর্কে এমনভাবে অনুধাবন করে, যে অনুধাবনে তাঁর উদ্দেশ্য তাদের ঘাড় বিনীতভাবে অবনত হয়)।[20]

পর্ব ১ | পর্ব ২ | পর্ব ৩ | পর্ব ৪ |পর্ব ৫ পর্ব ৬ | পর্ব ৭পর্ব ৮পর্ব ৯পর্ব ১০পর্ব ১১পর্ব ১২পর্ব ১৩পর্ব ১৪পর্ব ১৫


[1] মুসলিম, হাদিস নং- ১৯১০
[2] বুখারী, হাদিস নং- ৪৭৩৯
[3] হাদসটি ইমাম নাসায়ী, ইবনু মাজাহ, আহমাদ ও হাকেম রহ. ‘হাসান’ সনদে বর্ণনা করেছেন।
[4] হাদসটি ইমাম বায়হাকী রহ. দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন।
[5] সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৯০
[6] ইবনু জারীর আত-তাবারী; আর ঝগড়াটে ব্যক্তিটি হল ওয়ালিদ ইবন মুগীরা, যেমনটি ইমাম বায়হাকী রহ. উত্তম সনদে বর্ণনা করেছেন; আল-গাযালী রহ., ‘এহইয়াউ ‘উলুমিদ্ দীন’, ১ম খণ্ড, পৃ. ২৭৪
[7] সুনান চতুষ্টয় ও আহমাদ; তিরমিযী রহ. হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন।
[8] বুখারী ও মুসলিম।
[9] উদ্ধৃত, আবূ বকর আল-জাযায়েরী, মিনহাজুল মুসলিম, পৃ. ১০৯
[10] হাদসটি ইমাম ইবনু মাজাহ রহ. উৎকৃষ্ট সনদে বর্ণনা করেছেন।
[11] হাদসটি ইমাম আহমাদ, ইবনু মাজাহ, নাসায়ী ও হাকেম রহ. হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং তা সহীহ।
[12] বুখারী, হাদিস নং- ৭০৮৯
[13] বুখারী, হাদিস নং- ৭০৪৪; মুসলিম, হাদিস নং- ১৮৮১
[14] আবূ দাউদ, হাদিস নং- ১৩৩৫; তিরমিযী, হাদিস নং- ২৯১৯
[15] সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৬১
[16] সূরা হুদ, আয়াত: ১৮
[17] আল-গাযালী রহ., ‘এহইয়াউ ‘উলুমিদ্ দীন’, ১ম খণ্ড, পৃ. ২৭৫
[18] ‘আখলাকু আহলিল কুরআন’ ( أخلاق أهل القرآن ), ১ম খণ্ড, পৃ. ১০
[19] উদ্ধৃত, আবূ বকর আল-জাযায়েরী, মিনহাজুল মুসলিম, পৃ. ১১১
[20] প্রাগুক্ত, পৃ. ১১১

Print Friendly, PDF & Email


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

আপনার মন্তব্য লিখুন