বিদাত থেকে বাঁচতে হলে যা জানা আবশ্যক

24
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না
রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

124

বিদ‘আত কাকে বলে এ বিষয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই। অনেকের ধারণা যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে ছিলনা তা-ই বিদ‘আত। আবার অনেকে মনে করেন বর্তমান নিয়মতান্ত্রিক মাদ্রাসা শিক্ষা পদ্ধতি একটি বিদ‘আত, মসজিদে কাতার করে নামায পড়া বিদাত, বিমানে হজ্জে যাওয়া বিদ‘আত, মাইকে আজান দেয়া বিদ‘আত ইত্যাদি। এ সকল দিক বিবেচনা করে তারা বিদ‘আতকে নিজেদের খেয়াল খুশি মত দুই ভাগ করে কোনটাকে হাসানাহ (ভাল বিদ‘আত) আবার কোনটাকে সাইয়্যেআহ (মন্দ বিদ‘আত) বলে চালিয়ে দেন। আসলে বিদ‘আত সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকার কারণে এ বিভ্রান্তি।

বিদআতের আভিধানিক অর্থ হল:

الشيء المخترع على غير مثال سابق ومنه قوله تعالى (قل ما كنت بدعا من الرسلوجاء على هذا المعنى قول عمر رضيالله عنه (نعمت البدعة )

অর্থ: পূর্বের দৃষ্টান্ত ব্যতীত নতুন সৃষ্ট কোন বিষয় বা বস্তু। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন: “বলুন,আমি তো কোন নতুন রাসূল নই”। আসলে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাসূল হিসাবে নতুনই। কিন্তু এ আয়াতে বিদ‘আত শব্দের অর্থ হল এমন নতুন যার দৃষ্টান্ত ইতোপূর্বে গত হয়নি। আর উমার (রাঃ) তারাবীহর জামাত কায়েম করে বলেছিলেন এটা উত্তম বিদআত। এখানেও বিদ‘আতের আভিধানিক অর্থ প্রযোজ্য।


ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় বিদআতের সংজ্ঞা

ما أحدث في دين الله وليس له أصل عام ولا خاص يدل عليه.

‘যা কিছু আল্লাহর দ্বীনে নতুন সৃষ্টি করা হয় অথচ এর সমর্থনে কোন ব্যাপক বা বিশেষ দলীল প্রমাণ নেই।’

অর্থাৎ নব সৃষ্ট বিষয়টি অবশ্যই ধর্মীয় ব্যাপারে হতে হবে।
যদি ধর্মীয় ব্যাপার ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে নব-আবিস্কৃত কিছু দেখা যায় তা শরীয়তের পরিভাষায় বিদআত বলে গণ্য হবে না,যদিও শাব্দিক অর্থে তা বিদআত।

এ প্রসঙ্গে আবুল হাসান আলী নদভী (রহঃ) তার ‘র্শিক ও বিদ‘আত’ কিতাবে বিদআতের পরিচ্ছন্ন সংজ্ঞা উল্লেখ করেছেন। তা হল: যে বিশ্বাস বা কাজ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত করেননি কিংবা পালন করার নির্দেশ দেননি সেই ধরনের বিশ্বাস বা কাজকে দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত করা,এর অঙ্গ বলে সাব্যস্ত করা,সওয়াব বা আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায় মনে করেএই ধরনের কাজ করার নাম বিদ‘আত।

যে সকল বিশ্বাস ও কাজকে দ্বীনের অংশ মনে করে অথবা সওয়াব হবে ধারণা করে ‘আমল করা হয় তা বিদ‘আত। কারণ হাদীসে এসেছে : আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“যে আমাদের এ ধর্মে এমন কোন নতুন বিষয় উদ্ভাবন করবে যা ধর্মে অন্তর্ভুক্ত ছিল না তা প্রত্যাখ্যাত হবে”। (বুখারী ও মুসলিম)

এ হাদীস দ্বারা স্পষ্ট হল যে,নতুন আবিস্কৃত বিষয়টি যদি ধর্মের অন্তর্ভুক্ত বলে ধরে নেয়া হয় তাহলে তা বিদআত ও প্রত্যাখ্যাত।

  • হাদীসে আরো এসেছে:

“যে ব্যক্তি এমন কাজ করল যার প্রতি আমাদের (ইসলামের) নির্দেশ নেই তা প্রত্যাখ্যাত”।(মুসলিম)

এ হাদীসে “যার প্রতি আমাদের নির্দেশ নেই” বাক্যটি দ্বারা এ কথা বুঝানো হয়েছে যে, বিষয়টি ধর্মীয় হতে হবে।
ধর্মীয় বিষয় হিসাবে কোন নতুন আমল করলেই বিদআত হবে।

যারা মাইকে আজান দেন তারা জানেন যে,

  • মাইকে আজান দেয়ার আলাদা কোন মর্যাদা নেই বা আজানে মাইক ব্যবহার করা সওয়াবের কাজ বলে তারা মনে করেন না। এমনিভাবে বিমানে হজ্জে যাওয়া,
  • প্রাতিষ্ঠানিক মাদ্রাসার প্রচলন,
  • নাহু সরফের শিক্ষা গ্রহণ প্রভৃতি বিষয় ধর্মীয় বিষয় বলে মনে করা হয় না,

তাই তা বিদ‘আত হওয়ার প্রশ্ন আসে না। এ ধরনের বিষয়গুলি বিদআত নয় বরং সুন্নাতে হাসানাহ বলা যেতে পারে।

 

অনেকে এ বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বিদআতকে দুভাগে ভাগ করার চেষ্টা করেন।
বিদ‘আতে হাসানাহ ও বিদ‘আতে সাইয়্যেআহ। সত্যি কথা হল বিদ‘আতকে এভাবে ভাগ করাটা হল আরেকটি বিদ‘আত এবং তা হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরিপন্থী।

কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

 “সকল নব-আবিস্কৃত (দীনের মধ্যে) বিষয় হতে সাবধান! কেননা প্রত্যেকটি নব-আবিস্কৃত বিষয় বিদ‘আত,আর প্রত্যেকটি বিদ‘আত হল পথভ্রষ্টতা”। (আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও বাইহাকী)

রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন সকল প্রকার বিদ‘আত ভ্রষ্টতা। এখন যদি বলা হয় কোন কোন বিদআত আছে যা হাসানাহ বা উত্তম, তাহলে ব্যাপারটি সম্পূর্ণ হাদীসবিরোধী হয়ে যায়। তাই তো ইমাম মালিক (রঃ) বলেছেন :”যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে কোন বিদআতের প্রচলন করে আর ইহাকে হাসানাহ বা ভাল বলে মনে করে, সে যেন প্রকারান্তরে এ বিশ্বাস পোষণ করে যে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পয়গাম পৌছাতে খিয়ানাত করেছেন। কারণ আল্লাহ তা‘আলা নিজেই বলেন: ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্মকে পূর্ণ করে দিলাম।’ সুতরাং রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে যা ধর্ম রূপে গণ্য ছিল না আজও তা ধর্ম বলে গণ্য হতে পারে না।

তাই বিদআতে হাসানাহ বলে কোন কিছু নেই।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা বলেছেন আমরা তাই বলব; সকল প্রকার বিদ‘আত গোমরাহী ও ভ্রষ্টতা।

বিদ‘আতে হাসানায় বিশ্বাসীরা যা কিছু বিদ‘আতে হাসানাহ হিসাবে দেখাতে চান সেগুলো হয়ত শাব্দিক অর্থে বিদ‘আত, শরয়ী অর্থে নয় অথবা সেগুলো সুন্নাতে হাসানাহ। যে সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

من سن فى الإسلام سنة حسنة فله أجرها وأجر من عمل بها بعده من غير أن ينقص من أجورهم شيء، ومن سن في الإسلامسنة سيئة فله وزرها ووزر من عمل بها من بعده من غير أن ينقص من أوزارهم شيء. (رواه مسلم عن جرير بن عبد اللهرضي الله عنهما)

অর্থ: “যে ইসলামে কোন ভাল পদ্ধতি প্রচলন করল সে উহার সওয়াব পাবে এবং সেই পদ্ধতি অনুযায়ী যারা কাজ করবে তাদের সওয়াবও সে পাবে, তাতে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলামে কোন খারাপ পদ্ধতি প্রবর্তন করবে সে উহার পাপ বহন করবে, এবং যারা সেই পদ্ধতি অনুসরণ করবে তাদের পাপও সে বহন করবে, তাতে তাদের পাপের কোন কমতি হবে না”। (মুসলিম) 

এখানে একটা প্রশ্ন হতে পারে যে, শবে বরাত উদযাপন, মীলাদ মাহফিল, মীলাদুন্নবী প্রভৃতি আচার-অনুষ্ঠানকে কি সুন্নাতে হাসানাহ হিসাবে গণ্য করা যায় না? মাইকে আজান দেয়া, মাদ্রাসার পদ্ধতি প্রচলন, আরবী ব্যাকরণ শিক্ষা ইত্যাদি কাজগুলো যদি সুন্নাতে হাসানাহ হিসাবে ধরা হয় তাহলে শবে বরাত, মীলাদ ইত্যাদিকে কেন সুন্নতে হাসানাহ হিসাবে গ্রহণ করা যাবে না?
পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে যে, বিদআত হবে ধর্মীয় ক্ষেত্রে।
যদি নতুন কাজটি ধর্মের অংশ মনে করে অথবা সওয়াব লাভের আশায় করা হয়, তাহলে তা বিদ‘আত হওয়ার প্রশ্ন আসে।
আর যদি কাজটি ধর্মীয় হিসাবে নয় বরং একটা পদ্ধতি হিসাবে করা হয় তাহলে তা বিদ‘আত হওয়ার প্রশ্ন আসে না। যেমন ধরুন মাইকে আজান দেয়া। কেহ মনে করেনা যে, মাইকে আজান দিলে সওয়াব বেশী হয় অথবা মাইক ছাড়া আজান দিলে সওয়াব হবে না। তাই সালাত ও আজানের ক্ষেত্রে মাইক ব্যবহারকে বিদ‘আত বলা যায় না।

তাই বলতে হয় বিদআত ও সুন্নাতে হাসানার মধ্যে পার্থক্য এখানেই যে,
কোন কোন নতুন কাজ ধর্মীয় ও সওয়াব লাভের নিয়াত হিসাবে করা হয় আবার কোন কোন নতুন কাজ দ্বীনি কাজ ও সওয়াবের নিয়াতে করা হয় না বরং সংশ্লিষ্ট কাজটি সহজে সম্পাদন করার জন্য একটা নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়।

যেমন আমরা যদি ইতিপূর্বে উল্লিখিত হাদীসটির প্রেক্ষাপটের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাই যে, একবার মুদার গোত্রের কতিপয় অনাহারী ও অভাবগ্রস্থ লোক আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এলো। তিনি সালাত আদায়ের পর তাদের জন্য উপস্থিত লোকজনের কাছে সাহায্য চাইলেন। সকলে এতে ব্যাপকভাবে সাড়া দিলেন। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কিরামের আগ্রহ ও খাদ্য সামগ্রী দান করার পদ্ধতি দেখে উল্লিখিত কথাগুলি বললেন। অর্থাৎ,

“যে ইসলামে কোন ভাল পদ্ধতি প্রচলন করল সে উহার সওয়াব পাবে এবং সেই পদ্ধতি অনুযায়ী যারা কাজ করবে তাদের সওয়াবও সে পাবে, তাতে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলামে কোন খারাপ পদ্ধতি প্রবর্তন করবে সে উহার পাপ বহন করবে, এবং যারা সেই পদ্ধতি অনুসরণ করবে তাদের পাপও সে বহন করবে, তাতে তাদের পাপের কোন কমতি হবে না”। (মুসলিম)

অভাবগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য যে পদ্ধতি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে ওটাকে সুন্নাতে হাসানাহ বলা হয়েছে।

বলা যেতে পারে, সকল পদ্ধতি যদি হাসানাহ হয় তাহলে সুন্নাতে সাইয়্যেআহ বলতে কি বুঝাবে?

উত্তরে বলব, মনে করুন কোন দেশের শাসক বা জনগণ প্রচলন করে দিল যে এখন থেকে স্থানীয় ভাষায় আজান দেয়া হবে, আরবী ভাষায় দেয়া চলবে না। এ অনুযায়ী ‘আমল করা শুরু হল। এটাকে আপনি কি বলবেন? বিদ‘আত বলতে পারবেন না, কারণ যারা এ কাজটা করল তারা সকলে জানে অনারবী ভাষায় আজান দেয়া ধর্মের নির্দেশ নয় এবং এতে সওয়াবও নেই। তাই আপনি এ কাজটাকে সুন্নাতে সাইয়্যেআহ হিসাবে অভিহিত করবেন। এর প্রচলনকারী পাপের শাস্তি প্রাপ্ত হবে, আর যারা ‘আমল করবে তারাও।

আবার অনেক উলামায়ে কিরাম বিদ‘আতকে অন্যভাবে দু ভাগে ভাগ করে থাকেন। তারা বলেন বিদ‘আত দু প্রকার।

  • একটা হল বিদ‘আত ফিদ্দীন (البدعةفيالدين) বা ধর্মের ভিতর বিদ‘আত।
  • অন্যটা হল বিদ‘আত লিদ্দীন (البدعةللدين) অর্থাৎ ধর্মের জন্য বিদ‘আত।

প্রথমটি প্রত্যাখ্যাত আর অন্যটি গ্রহণযোগ্য।

আমার মতে এ ধরণের ভাগ নিষ্প্রয়োজন, বরং বিভ্রান্তি সৃষ্টিতে সহায়ক।
কারণ প্রথমতঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন সকল বিদ‘আত পথভ্রষ্টতা বা গোমরাহী। এতে উভয় প্রকার বিদ‘আত শামিল।

দ্বিতীয়তঃ অনেকে বিদ‘আত ফিদ্দীন করে বলবেন, আমি যা করেছি তা হল বিদ‘আত লিদ্দীন। যেমন কেহ মীলাদ পড়লেন। অতঃপর যারা এর প্রতিবাদ করলেন তাদের সাথে তর্কে লিপ্ত হয়ে অনেক দূর যেয়ে বললেন, মীলাদ পড়া হল বিদ‘আত লিদ্দীন – এর দ্বারা মানুষকে ইসলামের পথে ডাকা যায়। অথচ তা ছিল বিদ’আতে ফিদ্দীন (যা প্রত্যাখ্যাত) !

আসলে যা বিদ‘আত লিদ্দীন বা দ্বীনের স্বার্থে বিদ‘আত তা শরীয়তের পরিভাষায় বিদ‘আতের মধ্যে গণ্য করা যায় না। সেগুলোকে সুন্নাতে হাসানাহ হিসাবে গণ্য করাটাই হাদীসে রাসূল দ্বারা সমর্থিত।

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ! বিদ‘আত সম্পর্কে এ কথাগুলো এখানে এ জন্য আলোচনা করলাম যাতে আলোচ্য বিষয়ের উপর কোন প্রশ্ন বা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হলে তার সমাধান যেন পাঠকবৃন্দ সহজে অনুধাবন করতে পারেন।

বইঃ “শবে বরাতঃ সঠিক দৃষ্টিকোণ

সংকলনঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান

Print Friendly, PDF & Email


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

24 মন্তব্য

  1. বিষয়টা স্পষ্ট হইল না. আমরা যারা সাধারণ মানুষ তাদের জন্য আর ও একটু সুন্দর করে গুছিয়ে, আর যারা অভিজ্ঞ জ্ঞানী তাদের জন্য আর ও একটু তথ্য বহুল করে লিখলে খুশি হব. তারপর ও অনেক অনেক ধন্যবাদ. আপনাদের এই প্রচেষ্টা বলবত থাকুক. আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও সবচেয়ে ভালো জানেন.

  2. ভাই Monir Ahammod, আপনি এই ভিডিও টি দেখুন। ইনশাআল্লাহ পুরোপুরি একটি ভাল ধারনা হবে… বিদাত কি ও প্রতিদিন আমরা কতরকমের বিদাতে লিপ্ত হচ্ছি ঃ

  3. আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষই ইজতেমা ও তাবলীগ- কে ইলম অর্জনের মাধ্যম মনে করেনা। বরং মনে করে ওগুলো করলে আলাদা সওয়াবও আছে, একসাথে অনেক লোক জামাতে নামায পরলে নাকি বেশি সওয়াব হয়, ওইভাবে আল্লাহ্‌র রাস্তায় জন্য বের হলে নাকি সওয়াব আছে? এটা কি ঠিক? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব। আমি আমার স্বামিকে বলেছি যে “ওগুলাতে শুধু ইলম অর্জন ও দাওয়াতের সওয়াব হবে। এছারা অন্য কিছুই না।” এতে উনি অনেক রেগে জায়।কথাটা মানেনা।আমাকে বলল ওখানে অনেক বড় আলেমরা আসেন, আমি কি ওনাদের চেয়ে বেশি জানি? উত্তর টা দেবেন।জাযাকাল্লাহ খাইর।

  4. see this lectures  of   motiur rahman ,Tablig Jamaat by Motiur Rahman 3-3
    – YouTube.flv ; Tablig Jamaat by Motiur Rahman (bangla) 2-3 –
    YouTube.flv.ob! ; Tablig Jamaat by Motiur Rahman Madani (1-3) –
    YouTube.flv ; hope this will answer your questions .

  5. আপনি বলেছেন যারা মাইক দ্বারা আজান দেয় তারা জানেন যে মাইকে আজান দেয়ার আলাদা কোন মর্যাদা নেই আমি নিজেও আপনার সাথে একমত ।কিন্তু ভেবেছেন কি ?  যে ব্যক্তি মাইক দান করল আজান দেয়ার জন্য তার কি রকম সওয়াব বা শাস্তি হবে । আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন । আর একটি কথা আমি কি ধর্মীয় কোন লেখা আপনাদের সাইড-এ দিতে পারব । যদি পারি তাহলে, কিভাবে তা সম্ভব ।

  6. প্রথমত বেশির ভাগ মসজিদে কেউ মাইক দান করে না। আর কেই যদি মাইক দান করে, সে তার নিয়য় অনুজায়ে সওয়াব পাবে। কোন কিছু যদি দ্বীনের উদ্দেশে দান করে সে তার সাওয়াব পাবে। 

    যেমন আগের সময় তহ ঘড়ি ছিল না, তখন সূর্যের আলো দেখে নামাযের সময় বুঝা হত, তাহলে এখন যদি কেউ মসজিদে ঘড়ি দান করে তার কি গুনাহ হবে? কখনই না। আপনি প্রবন্ধটি আরেকবার পড়ুন। 

  7. আপনাকে ধন্যবাদ এডিটর সাহেব । আপনার মূল্যবান মতামতের
    জন্য । আসলে আমি জিনিষটা আপনাকে ভালোভাবে বুঝাতে পারিনি । আমি আসলে বুঝাতে
    চেয়েছিলাম আল্লাহ্‌ তা’আলা এবং তার রসূল (সাঃ)-এর
    আদেশ-নির্দেশ যেগুলো পবিত্র কুরআন এবং সহীহ হাদীসে-এ বিদ্যমান সেগুলো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র
    ভাবেও যদি কেউ অমান্য করে বা প্রবেশ করায় তাহলে এটাই বিদ’আত । উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে , আমাদের নবী (সাঃ) যদি ওযু করার সময় গাড়
    মুসেহ না করে থাকেন আর আমরা যদি তা করি তাহলে এটাই হবে বিদ’আত এবং আমাদের পুরা ওযুটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে। আবার যদি এই গাড় মুসেহ
    করায় ব্যাপক কল্যাণ থাকে তাহলে গ্রহণীয় ( কেউ কেউ বলে এটা নাকি রক্ত চাপ কে
    ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে । তাহলে প্রশ্ন হল যে যুগে গাড় মুসেহ করার প্রচলন
    আরম্ভ হয়েছিল সে যুগে এই এলেম মানে রক্ত চাপ ভারসাম্য রাখে । কোথায় পেলেন ? ) । আল্লাহ্‌
    তা’আলাই ভাল জানেন এই ব্যাপারে । ঠিক তেমনি তারাবীর নামায । এই ব্যাপারেও আল্লাহ্‌
    তা’আলাই ভাল জানেন । আসল কথা যে কাজ আমাদের ঈমানের কমা বাড়ায় সাহায্য করে
    কিন্তু আল্লাহ্‌ তা’আলার নির্দেশ নেই অথবা আদেশ-নির্দেশ বা পরিপালন-প্রতিপালনের
    কথা সহীহ হাদীস-এ রসূলুল্লাহ (সাঃ) করেছেন বলে প্রমাণ নেই বা যুগ পরিবর্তনের কারণে
    অবশ্যপালনীয় ব্যাপার ছাড়া যাহা তাই বিদ’আত । যেমন
    মাইকের মাধ্যমে আযান না দিলে কিছু দূর থেকেও আজকাল আযান শুনা যাবে না ( বিভিন্ন
    আওয়াজের কারণে ) । ঠিক তেমনি আজকাল কেউ হজ্ব করতে গেলে বিভিন্ন দেশের ভিসা নিতে
    হবে সেই দেশে উপস্থিত থেকে । আর এই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কত মাস সময় লাগবে তা
    অনির্দিষ্ট । আর তাই বিমানে করে হজ্ব করা । তাই মাইকে আযান এবং বিমানে চড়ে হজ্ব
    করা কোন বিদ’আত নয় ।

    পরিশেষে আল্লাহ্‌ তা’আলার পবিত্রতা
    ঘোষণা করে আল্লাহ্‌র কাছে চাচ্ছি আমাদেরকে যেন তিনি সঠিক এলেম দেন…আ-মিন  

  8. I recommend you to read the following two books if you want to know details about Tablig Jamat.

    1. Tablig Jamat & Deobondis by Sajid Abdul Kayum
    2. Tablig Jamat O Tar Nisab by Dr. Md. Abu Taher Mia

    Both books are available at Ahsan Publication, Kataban Mosque, Dhaka.

  9. Assalamualaikum i like your articles but i believe that some of them are misguiding

     let me clarify one thing this so called people who say Eid e Milad un Nabi is Bidaa visiting graveyard is Bidaa etc. are simply creation of some Wahabis of Saudi Arabia who didn’t even hesitate to destroy the graveyards of our beloved Prophet Sayyidina Hazrat Muhammad Sallallahu wa laye wa sallum’s family members those freaking Name sake Muslims are even trying to build a toilet near the graveyard of our beloved Prophet Sayyidina MUhammad Sallallahu wa laye wasaalum’s beloved wife Hazrat Sayyidina Khadija Radhi Allahu’taa’la anhu these people do not have love for Rasul Allah Sallallahu walaye wa sallum and if one doesn’t have love for Rasul Allah Sallallahu walaye wa sallum one is not a MuslimDISGUSTING to see that it is these troublesome name sake Muslims who kill innocents in the form of bomb blast in Grave Yards of the Wali Awliyas.
    Isn’t reciting Durrod Shareef prescribed in Islam Allah Rabbul Alamin says in glorious Quran Chapter 33 verse 56 Surely Allah and all His angels invoke blessings and greetings on the Holy Prophet (blessings and peace be upon him). O believers you also send blessing on him and salute him with a worthy salutation of peace abundantly and fervently.it is also a hadeeth Abd al-Rahmaan ibn ‘Awf, who said: the Prophet (sallAllahu ályhi wasallam) went out to the place where the sadaqah (charitable donations) was kept, then he faced the Qiblah and fell in prostration, remaining like that for a long time. Then he raised his head and said, “Jibreel came to me with good news, he said, ‘Allaah says to you, “Whoever sends blessings on you, I will send blessings on him, and whoever sends greetings of peace to you, I will send greetings of peace to him,”’ so I prostrated in thankfulness to Allaah.” (Narrated by Ahmad. Al-Mundhiri said: the hadeeth of Sajdat al-Shukr came from the hadeeth of al-Baraa’ with a saheeh isnaad, and from the hadeeth of Ka’b ibn Maalik and others.)If we follow these verses  and this Hadeeth we can conclude that if we send blessings on Rasul Allah Sallallahu wa laye wa sallum then Allah Subhanuwataa’la will also send blessings to us Subhan Allah similarly Allah Subhanuwataa’la is ordering us to send Durood to our beloved Rasul Allah sallallahu wa laye wa sallum in the above verse of QuranMilad Mahfils are arranged to send Durrod Shreef to our beloved Rasul Allah sallallahu wa laye wa sallum and to talk about his Seera (his lifestyle) i do not see any innovation in these activities verily during the lifetime of Rasul Allah Sallallahu wa laye wa sallum weren’t there any of his sahabas who discussed about his simplicity his generosity his innocence definitely there was for if there weren’t such discussions then Islam would have never spread amongst the Kafiirs.Yes it is also true that we must not exaggerate ourselves such as prostrating the graveyards etc.for verily these are shirk but what majority of Muslims do on night of Shab e Barat or in Milad Mehfil recite Durood Shareef pray Nawfil prayers read Quran etc. there is nothing wrong in it  rather they are encouraged in Islam.The Wahabis follow certain Hadeeth and discard many of them the Saudi government is still producing fabricated Hadeeth which one will you believe?What do we do? that’s why we must have proper Knowledge…Wali Awliyas did the same were they misguided if they were then they wouldn’t have been able to be Allah Subhaniwataa’las friend Allah Subhanuwataa’la wouldn’t have appointed angels near them………but the Wahabis whom some people are following are neither Wali nor close to Allah Subhanuwataa’la they are simply misguiding the true Muslims the true M’uminWe must all be united for Allah says in Chapter 49 verse 10The truth is that all beleivers are brothers to one another so make peace between two brothers and always fear Allah so that you may be shown mercy.May Allah Subhanuwataa’la guide us all to the straight path Ameen

  10. AsaslamuAlaykum Brother..

    We are glad to know that you atleast like some of our articles.. See brother Iktelaaf (differences of opinion) is something which will remain in the Muslim Ummah till the end of this world. If we really want to follow Islam properly, we all have to be very open minded and stop following scholars blindly. Allah has given us brain, no one can misguide us except Allah. I will request you to read the tafsirs of those version which you mentioned above in your comments. You can read tafsir Ibn Kathir. You will came to know the truth by yourself. 
    We request you to read this book “উলামার মতানৈক্য ও আমাদের কর্তব্য” –  সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ সাধারন অনেক মানুষের মনে প্রশ্ন, আমাদের আল্লাহ্‌ এক, নবী এক, কিতাব এক, কিবলাহ এক তবে মতভেদ কিসের এবং কেন? কেন উলামাগণ একমত নন? কেন এত মাযহাব ও ফির্কাহবন্দী তথা দলাদলি? এ সকল প্রশ্নের কিছু কিছু উত্তর দেওয়া হয়েছে অত্র পুস্তিকায়। https://www.quraneralo.com/different-opinion/

    Here is the english version of this book “Differences of Opinion Amongst the Scholars” – http://www.kalamullah.com/differences.html

  11. লেখাটা সুন্দর হয়েছে। যারা এই ব্যাপারটা ঠিক মতো বুঝতে চান,তারা অনুগ্রহ
    করে বিদাতের যে সংজ্ঞাটা  আবুল হাসান আলী
    নদভী (রহঃ) তার ‘র্শিক ও বিদ‘আত’ কিতাবে বিদ‘আতের পরিচ্ছন্ন
    সংজ্ঞা উল্লেখ করেছেন,”যে বিশ্বাস বা কাজ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল
    সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত করেননি কিংবা পালন করার
    নির্দেশ দেননি সেই ধরনের বিশ্বাস বা কাজকে দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত করা,এর অঙ্গ বলে
    সাব্যস্ত করা,সওয়াব বা আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায় মনে করেএই ধরনের কাজ করার নাম
    বিদ‘আত।”-
    এটা কয়েকবার পড়ে একটু গভীর ভাবে চিন্তা করে বুঝতে চেষ্টা করেন……… এটা বুঝলে
    আপনি নিজেই বিচার করতে পারবেন কোনটা বিদাত আর কোনটা বিদাত না। জাযাকাল্লাহ
    খায়ের……………………

  12. I CAME TO KNOW CLEARLY ABOUT ‘BIDAT’.EVERYBODY SHOULD BE AWARE OF IT,BEING A MUSLIM.OTHERWISE OUR ‘IBADAT’ IS BOUND TOBE FRUITLESS.’BIDAT IS AGAINST IMAN’

    A.S.M.SALAHUDDIN,TEACHER,BURDWAN,.W.B.,INDIA 

  13. এখানে মিলাদ পড়া / পরানো কি বিদাত কিনা স্পষ্ট ভাবে বলা হয়নি। যদি জানাতেন তাহলে উপকৃত হতাম।

  14. Akhany jara sunni samortheto vhai ashen sabar prote sanman rekhy bolche ! Apnara ( ( (sura bakara ) vhalo kory bujhy parun pls. Bujty parben nejyi satto ke! Ke Kara jayj ! Ar sunne web pagey melad unnobe samporky jy etehas o tottho deychan ta hasso kor ! Aei sekkha bokar/ ar andhor janno. Allah jy gyan deychan ta babohar karun! Satto janun

  15. Ame Sunni akta weby ja daklam ! melad /keam ney tara jy jukte o doll deychy ! Ta mettha o grahon joggo noy! Brnto sekkha. ( for ex;- 1/ Allah feresta ney melad porycean. 2/ adom/mucha/echa/(a) melad porychan. Aro anek katha amon. Vhul o mettay vhora, amr mot halo jara Islam ne metta sekkha day ! Taky ar besas karar kona abokas dakhe na.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.