নবী (সাঃ) কবর স্হানান্তর মূলক খবর যঘন্য বিভ্রান্তিকর মিথ্যাচার

60
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না
রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

masjid-nabawiবিদ্যুতের বেগে মিডিয়া থেকে মিডিয়ায় প্রচার হয়ে চলেছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর শরীফকে স্থানান্তরের পরিকল্পনার সংবাদ।

অনলাইন, ব্লগ, ম্যাগাজিন, দৈনিক পত্রিকা, ফেসবুক, টুইটার কোথাও বাদ নেই। আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বয়ে চলছে বিষয়টি নিয়ে। কিন্তু এর বাস্তবতা কি, শরীয়ত সম্মত কি না, আসলেই এরকম কোন পরিকল্পনা হয়েছিল কি না? তা নিয়ে কারো মাথা ব্যাথ্যা নেই। মিথ্যা সংবাদ, মিথ্যা কথা, মুখরোচক বিষয় মানুষের কাছে এত প্রিয় যে, দ্রুততম সময়ে তা প্রচার করতে না পারলে যেন তার পেটের ভাত হজমই হয় না।

সংবাদ মাধ্যমে খবরটির এত হিড়িক দেখে আমি আজ ফোন করেছিলাম, মসজিদে নববীর বাউণ্ডারী সংলগ্ন প্রতিষ্ঠিত কোর্টের অন্যতম সম্মানিত বিচারক শাইখ হাসান সা’দ আল গামেদীর কাছে।

তিনি বললেন, একটি অপপ্রচার। একটি মিথ্যা সংবাদ। সৌদী সরকার এরকম কোন পরিকল্পনা কখনই নেয়া হয়নি। তাছাড়া এটা শরীয়তের সম্পূর্ণ খেলাফ। তাই এদেশের মুফতীদের পক্ষ থেকে এধরণের ফতোয়া প্রদানের প্রশ্নই উঠে না। তিনি বললেন, মসজিদে নববী দক্ষিণ তথা কিবলার দিকে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়া হয়েছে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ এর ওফাতের পর সাহাবীগণ তাঁর দাফন কোথায় হবে তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রকাশ করছিলেন। তখন আবু বকর (রাঃ) যে কথা বলেছেন তা আমি ভুলি নি। তিনি বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা নবীদেরকে এমন স্থানেই মৃত্যু দান করেন, যেখানে দাফন হওয়া ঐ নবী পছন্দ করতেন। অতএব তাঁর বিছানার স্থানেই তাঁকে দাফন কর। (তিরমিযী, হা/1018)

মিথ্যা সংবাদ বিশ্বাস ও প্রচার করা থেকে সকলেই সতর্ক থাকা দরকার।

অন্যথা আপনি এই হাদীছ অনুযায়ী মিথ্যাবাদী গণ্য হবেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনবে (তা যাচাই-বাছাই না করে) তাই বলে বেড়াবে।” (সহীহ মুসলিম)

শেইখ আব্দুল্লাহ আল-কাফি

[divider]

বৃটিশ সাংবাদিক ইন্দ্র জোনসনেএর লেখা খবর এক বড় ধরনের মিথ্যারোপ ও ইসলামের বিরুদ্ধে গভীর ষঢ়যন্ত্র .সউদী আরবের আরবী পত্রিকায় এর জোরাল নিন্দা প্রতিবাদ করা হয়েছে এতে বলা হয়েছে মুসলমানদের মধ্যে অনৈক্য বিভ্রান্তি ও ফিতনা সৃষ্টির জন্যই তা প্রচার করা হয়েছে —– এ যমিন যত দিন থাকবে ততদিন তাঁর কবর অবশিষ্ট থাকবে — বিস্তারিত পড়ার জন্য লিংক দেয়া হল: http://sabq.org/eekgde  

Also read this post – https://www.facebook.com/yasir.qadhi/posts/10152454578288300

 

Print Friendly, PDF & Email


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

60 মন্তব্য

  1. বিদ্যুতের বেগে মিডিয়া থেকে মিডিয়ায় প্রচার হয়ে চলেছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর শরীফকে স্থানান্তরের পরিকল্পনার সংবাদ।
    অনলাইন, ব্লগ, ম্যাগাজিন, দৈনিক পত্রিকা, ফেসবুক, টুইটার কোথাও বাদ নেই। আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বয়ে চলছে বিষয়টি নিয়ে। কিন্তু এর বাস্তবতা কি, শরীয়ত সম্মত কি না, আসলেই এরকম কোন পরিকল্পনা হয়েছিল কি না? তা নিয়ে কারো মাথা ব্যাথ্যা নেই। মিথ্যা সংবাদ, মিথ্যা কথা, মুখরোচক বিষয় মানুষের কাছে এত প্রিয় যে, দ্রুততম সময়ে তা প্রচার করতে না পারলে যেন তার পেটের ভাত হজমই হয় না।
    সংবাদ মাধ্যমে খবরটির এত হিড়িক দেখে আমি আজ ফোন করেছিলাম, মসজিদে নববীর বাউণ্ডারী সংলগ্ন প্রতিষ্ঠিত কোর্টের অন্যতম সম্মানিত বিচারক শাইখ হাসান সা’দ আল গামেদীর কাছে।
    তিনি বললেন, একটি অপপ্রচার। একটি মিথ্যা সংবাদ। সৌদী সরকার এরকম কোন পরিকল্পনা কখনই নেয়া হয়নি। তাছাড়া এটা শরীয়তের সম্পূর্ণ খেলাফ। তাই এদেশের মুফতীদের পক্ষ থেকে এধরণের ফতোয়া প্রদানের প্রশ্নই উঠে না। তিনি বললেন, মসজিদে নববী দক্ষিণ তথা কিবলার দিকে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়া হয়েছে।
    আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ এর ওফাতের পর সাহাবীগণ তাঁর দাফন কোথায় হবে তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রকাশ করছিলেন। তখন আবু বকর (রাঃ) যে কথা বলেছেন তা আমি ভুলি নি। তিনি বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা নবীদেরকে এমন স্থানেই মৃত্যু দান করেন, যেখানে দাফন হওয়া ঐ নবী পছন্দ করতেন। অতএব তাঁর বিছানার স্থানেই তাঁকে দাফন কর। (তিরমিযী, হা/1018)
    মিথ্যা সংবাদ বিশ্বাস ও প্রচার করা থেকে সকলেই সতর্ক থাকা দরকার।
    অন্যথা আপনি এই হাদীছ অনুযায়ী মিথ্যাবাদী গণ্য হবেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনবে (তা যাচাই-বাছাই না করে) তাই বলে বেড়াবে।” (সহীহ মুসলিম)
    শেইখ আব্দুল্লাহ আল-কাফি
    বৃটিশ সাংবাদিক ইন্দ্র জোনসনেএর লেখা খবর এক বড় ধরনের মিথ্যারোপ ও ইসলামের বিরুদ্ধে গভীর ষঢ়যন্ত্র .সউদী আরবের আরবী পত্রিকায় এর জোরাল নিন্দা প্রতিবাদ করা হয়েছে এতে বলা হয়েছে মুসলমানদের মধ্যে অনৈক্য বিভ্রান্তি ও ফিতনা সৃষ্টির জন্যই তা প্রচার করা হয়েছে —– এ যমিন যত দিন থাকবে ততদিন তাঁর কবর অবশিষ্ট থাকবে — বিস্তারিত পড়ার জন্য লিংক দেয়া হল: http://sabq.org/eekgde
    Also read this post – https://www.facebook.com/yasir.qadhi/posts/10152454578288300

  2. Don’t be tensed muslim….kaba sharif is not your home ..its the home of Almighty Allah…Allah declared in Quran that “kaba is my home & i’m the savior of it” the news which is publishing in facebook that rawja sharif of our prophet hazrat muhammad (sm) will be transferred to another place…that news may be fake or true….but the truth is Allah will also save it nothing can harm our dear prophets rawja……..so just relax

  3. প্রসঙ্গ নবীজীর স. দেহ মোবারক সরানোর সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত নিউজ:
    ব্রিটেনভিত্তিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট, ডেইলি মেইল, ও টেলিগ্রাফের বরাত দিয়ে গতকাল সারাদিন নিউজফিডে এরকম একটি নিউজ শেয়ার করতে দেখলাম যে, মসজিদে নববী থেকে নবীজীর স. দেহ মোবারক সরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বা হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের অনলাইন পোর্টালগুলোও নিউজটাকে হটকেক হিসেবে নিয়ে নিল।
    এ সম্পর্কে আরবীতে খুঁজতে গিয়ে এই লিংকটি পেলাম:http://www.almasryalyoum.com/news/details/514359 – এতেও ইংরেজি পত্রিকাগুলোর ন্যায় শিরোনাম করা হয়েছে। তবে ভেতরে পড়তে গিয়ে জানতে পারলাম ড. আলী বিন আব্দুল আযীযের “عمارة مسجد النبي عليه السلام ودخول الحجرات فيه دراسة عقدية” শীর্ষক গবেষণার সূত্রে তারা এ কথাগুলো বলছেন। 
    আরবী গবেষণার শিরোনামটি সার্চ করতেই গবেষণাটি মাজমা’য়াহ ইউনিভার্সিটির সাইটে পাওয়া গেল, যেখানে সম্ভবত তিনি ফ্যাকাল্টি। http://faculty.mu.edu.sa/download.php?fid=77545আরবী নিউজটিতে এখান থেকে বেশ কিছু কোটেশন আনা হয়েছে। এতে নিশ্চিত হলাম, ডকুমেন্ট এটাই, যা নিয়ে কথা হচ্ছে।
    প্রথম কথা হলো, এটা মূলত মসজিদে নববীর সম্প্রসারণ ও সংস্কারের ইতিহাস, বিশেষ করে আম্মাজান আয়েশা রা. এর হুজরাসহ (যেখানে নবীজী স. শায়িত) অন্যান্য হুজরাকে মসজিদে অন্তর্ভুক্তিকরণের ইতিহাস, এবং শেষে ওনার কিছু প্রস্তাবনা। এটা মোটেও কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
    গবেষণাটা ও শেষের প্রস্তাবনাগুলো সময় নিয়ে পড়লাম। ইতিহাসটা জেনে খুব ভালো লাগল, তবে সংস্কারের বিষয়গুলো আসলেই খুব কষ্ট দিল। শেষে ওনার প্রস্তাবনাগুলোও খুব চমৎকার। এখানে রাসূল স. এর দেহ মোবারক সরানোর বিন্দুমাত্র কথাও নেই। অথচ এটাকেই শিরোনাম করছে সবাই।
    গবেষণাটি পড়লে স্পষ্ট বুঝা যায়, তিনি ইতিহাসের নিরিখে মসজিদে নববীর সংস্কার ও বিবর্তন তুলে ধরেছেন। যুগে যুগে নানা আমীর-সুলতানের আমলে নানা নতুন বিষয় সংযোজনের কথা তুলে ধরেছেন।
    এর শুরু প্রথম শতাব্দীর শেষ দিকে উমাউয়ী খলীফা ওয়ালীদ বিন আব্দুল মালিকের মাধ্যমে। তিনিই প্রথম আম্মাজান আয়েশা রা. এঁর হুজরা (যেখানে রাসূল স. এঁর কবর) ও অন্যান্য হুজরাকে মসজিদে নববীর অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন, যা খলীফা ওমর রা. ও উসমান রা. কেউই করেন নি। ওনাদের সময় মসজিদের অন্য তিন পাশ দিয়ে মসজিদ বড় করা হয়েছে, এই পূর্ব দিকটাকে ধরা হয় নি। যেন রাসূল স. এর কবর মসজিদের অন্তর্ভুক্ত না হয়ে যায়, আর কবরকে মসজিদ বানাতে রাসূল স. নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা ইয়াহুদী ও নাসারাদের লা’নত করুন, এরা এদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়েছে। (বুখারী: ১৩৯০)
    যাহোক, তাবেয়ীদের বিশিষ্ট সাত ফকীহসহ অন্যদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও তৎকালীন খলীফা হুজরাকে মসজিদের ভেতর নিয়ে নেন। এরপর একে একে যুগে যুগে এ মসজিদে নানা ডিজাইন, মূল্যবান পাথর, মোজাইক ইত্যাদি সংযুক্ত হয়। হুজরার ওপর গম্বুজ হয়, সুলতানদের নাম খচিত মিম্বর আসে, হুজরা ও কবরের ওপর নানা আয়াত লিখিত পর্দা আসে। প্রায় প্রত্যেক খলীফাই এগুলোর পেছনে অঢেল টাকা-পয়সা খরচ করেন। এর মধ্যে দেয়ালে ও কলামে বিভিন্ন বিদয়াতী/ শিরকী কথার শ্লোকও আসে।
    সবশেষে তিনি প্রথম যে প্রস্তাব করেছেন সেটা হলো, হুজরার পূর্ব দিক থেকে দেয়াল পর্যন্ত এবং উত্তর দিকে আহলুস সুফফার জায়গাসহ ওদিকে বাবে জিবরীল পুরোটাকে দেয়াল দিয়ে দিতে, যদিও সেটা কাঠের হয়। এতে রাসূলের স. কবর ও হুজরাগুলো মসজিদ থেকে আলাদা হবে, যা রাসূলেরই স. নির্দেশ। আর বিদয়াতীরা এসব জায়গা ব্যবহারের সুযোগ কম পাবে; একইভাবে ফাতিমা রা. -র হুজরাকে কেন্দ্র করে শীয়াদের তৎপরতাও রোধ হবে।
    এছাড়া হুজরার দেয়াল ও কলামের ওপর লেখা প্রশংসাসূচক শ্লোকগুলো মিটিয়ে দিতে, যেন শিরকের পথ বন্ধ হয়। এবং দুই পাথুরে জায়গায় লেখা সাহাবীদের নাম ও বারো ইমামের নাম মুছে ফেলতে, যেন এগুলোকে কেন্দ্র করে হওয়া ফাসাদ বন্ধ হয়। এবং সবুজ গম্বুজকে আর সংস্কার না করতে এবং এর ওপরের তামার প্রলেপও যথাসম্ভব মিটিয়ে দিতে। (এগুলো রাসূল স. ও খুলাফায়ে রাশেদীনের যুগে ছিল না। মসজিদের এসব অতিরিক্ত নকশা মূলত পারস্য/রোম ও চীনাদের প্রভাব, গবেষণায় তা তিনি দেখিয়েছেন। এর আগে মসজিদ ছিল সাদামাটা।) 
    আর সম্প্রসারণ যেন কিবলার দিকে করা হয়। উমর রা. ও কিবলার দিকে সম্প্রসারণ করেছিলেন। কিবলার দিকে দেয়াল ভেঙে তা আরো সামনের দিকে সম্প্রসারিত করা যেতে পারে।
    সবশেষে তিনি মসজিদে নববীর প্রয়োজনগুলো গবেষণার জন্য উলামাদের একটি টিম গঠনের সুপারিশ করেন, যেন মানুষের ঈমান-আক্বীদা সুরক্ষিত থাকে।
    সবমিলিয়ে ওনার গবেষণাটি আমার কাছে দালীলীক ও যৌক্তিক মনে হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন আসে, নিউজটা ছড়াচ্ছে কোথা থেকে?
    নিউজটা মূলত করেছে ইউকের ইন্ডিপেন্ডেন্ট, ড. ইরফান আলাউইর বরাত দিয়ে। ওনার পরিচয়ে যাব না, গার্ডিয়ানে ওনার সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও নিউজগুলো রয়েছে। (http://www.theguardian.com/profile/irfan-al-alawi) মূল গবেষণা থেকে নিউজটি মাইলের পর মাইল দূরে অবস্থান করছে। নিউজটা পুরোপুরি উদ্দেশ্যমূলক মনে হয়েছে।
    আরব বিশ্বের বলতে গেলে বড় কোনো পত্রিকায় এসব কভার করে নি, কভার করার মতো কিছু হয় নি বলে। আরবী-ইংরেজী-বাংলাসহ সব ভাষাতেই শিয়া ও বিদয়াতীদের এই নিউজ ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। পেছনে কী কারণ, তা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই। সবমিলিয়ে আমাদের অত্যন্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
    আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন। এবং তাহকীক (যাচাই) ছাড়া নিউজ শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার তাওফীক দিন। আমীন।
    ==
    লিংকসমূহ:
    ১. ইন্ডিপেন্ডেন্টের মূল নিউজ: http://www.independent.co.uk/news/world/middle-east/saudis-risk-new-muslim-division-with-proposal-to-move-mohameds-tomb-9705120.html
    ২. ড. ইরফান আলাউই: http://www.theguardian.com/profile/irfan-al-alawi
    ৩. একটি আরবী নিউজ: http://www.almasryalyoum.com/news/details/514359 
    ৪. ড. আলী বিন আব্দুল আযীযের “عمارة مسجد النبي عليه السلام ودخول الحجرات فيه دراسة عقدية” শীর্ষক গবেষণা: http://faculty.mu.edu.sa/download.php?fid=77545
    == 
    আপডেট: সাউদী থেকে অফিসিয়ালি খবরটাকে অস্বীকার করা হয়েছে, এবং বলা হয়েছে, রাসূলের স. কবর সরানোর আদৌ কোনো ইচ্ছে তাদের নেই। আর সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডকুমেন্টটি কেবল একটি গবেষণা, কোনো সরকারী সিদ্ধান্ত নয়। পড়ুন: http://www.elaph.com/Web/News/2014/9/937541.html
    https://www.facebook.com/myousufs

  4. এটা অসম্বব।ইহুদীরা ফালেষ্টাইনে মার খাওয়ার প্রতিশোধ নেওয়ার অপকৌশলেই অংশবিশেষ ইহা ।মুসলমানদের ভিতর Civil war বাধিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এটা।আমরা কিছুতেই তা বিশ্বাস করি না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.