বই – নবীদের কাহিনী (নতুন সংস্করণ)

46
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না
রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

আশরাফুল মাখলুকাত মানব জাতির কল্যাণে প্রেরিত মানব জাতির বিধান সমূহ প্রচার ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহে আদম (আঃ) থেকে মুহাম্মাদ (সাঃ) যুগে যুগে যে অসংখ্য নবী রাসূল প্রেরন করেছেন তাদের মধ্য থেকে মাত্র ২৫ জন নবীর নাম আল্লাহ পবিত্র কুরআনে গুরুত্ত্বের সাথে উল্ল্যেখ করেছেন এবং সত্যের পথে তাঁদের দৃঢ়চিত্ত্ব সংগ্রামের হৃদয়গ্রাহী সংগ্রামের বর্ণনা করে মানবতার সামনে সত্য ন্যায় ও সুন্দরের অনুপম মানদণ্ড উপস্থাপন করেছেন। এসব কাহিনী কেবল চিত্ত বিনোদনের খোরাক নয়, বরং এক অবিরাম বিচ্ছুরিত আলোকধারা,  যার প্রতিটি কণায় বিকশিত হয় মানবতার সর্বোচ্চ নমুনা। নবী ও রাসূলগণের জীবনালেখ্য জানা ও তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা আমাদের মুসলমানদের অপরিহার্য কর্তব্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি বাংলাদেশে ের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস খুবই দুর্লভ। তাই বিষয়টির গুরুত্ত্ব উপলব্ধি করে মাননীয় লেখক প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব এই মুল্যবান ইতিহাসটি লিখেন।

এই বইটির বিশেষত্ব হচ্ছে-

  • ঘটনা মূলক বর্ণনা পদ্ধতি মূল বিষয় বস্তু আত্মস্থ করতে শ্রোতা ও পাঠকগণকে খুব দ্রুত আকৃষ্ট করে। মানুষের বিচার-বুদ্ধি, প্রকৃতি ও স্বভাবের উপর এর সফল প্রভাব পরে। ফলে সহজেই ঘটনা হতে শিক্ষা গ্রহণ করা যায় এবং তার উপর আমল করা যায়। এ জন্য রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনেক সময় সাহাবায়ে কেরামদের জন্য ঘটনা মূলক উদাহরণ পেশ করতেন।
  • বইটিতে কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিত ঘটনা ও বক্তব্য সমূহ একত্রিত করে কাহিনীরূপ প্রদান করা হয়েছে। সেই সাথে বিশ্বস্ত তাফসীর,হাদীস ও ইতিহাস গ্রন্থ’ সমূহ থেকেও উদ্ধৃত করা হয়েছে। নবীদের কাহিনীর নামে প্রচলিত কেচ্ছা-কাহিনী ও ইসরাইলী উপকথা সমূহ হ’তে বিরত থেকে সহীহ বর্ণণাসমূহ দ্বারা বইটি সমৃদ্ধ হয়েছে।
  • এর সবচেয়ে মূল্যবান সংযোজন হল আম্বিয়া কেরামের জীবনী থেকে বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে শিক্ষনীয় বিষয় সমূহ তুলে ধরা হয়েছে।
  • কুরআনে ২৫ জন নবীর নাম বর্ণণা করা হয়েছে: আদম,নূহ,ইদরীস,হূদ,ছালেহ,ইবরাহীম,লূত,ইসমাঈল,ইসহাক,ইয়াকূব,ইউসুফ,আইয়ূব,শু‘আয়েব,মূসা,হারূণ,ইউনুস,দাঊদ,সুলায়মান,ইলিয়াস,আল-ইয়াসা‘,যুল-কিফ্ল,যাকারিয়া,ইয়াহ্ইয়া, ঈসা (আ) ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বইটিতে দুটি খণ্ডে সম্মানিত এসকল আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামের কাহিনী আলোচনা করা হয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, “নবী কাহিনী” একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যবহুল বই। আশা করা যায়, এর মাধ্যমে পাঠক সমাজ মানবজাতির প্রাচিন ইতিহাসের পাদপীঠে নিজেদের নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে সক্ষম হবেন এবং নবীদের উন্নত জীবনকে উত্তম আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করার প্রেরণা লাভ করবেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন : ‘তাদের কাহিনীতে বুদ্ধিমানদের জন্য রয়েছে শিক্ষণীয় বিষয়, এটা কোন মনগড়া কথা নয়, কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে তাদের জন্যে পূর্বেকার কালামের সমর্থন।‘ [সূরা ইউসুফ : ১১১]।

“আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন”। (বুখারী)

মানব জাতির শেষ্ঠ মানুষ নবীদের জীবনী পাঠ করি, আল্লাহ আমাদের এই সকল কাহিনী ও ঘটনা থেকে উপকৃত হওয়ার তাওফিক দান করুন, আমিন।

 

বিদ্রঃ কিছু ওয়েবসাইটে আপনি এই বইটি পেতে পারেন, কিন্তু আমাদের ওয়েবসাইটে যেই ভার্সনটা দেওয়া হল এইটাতে Interactive Link অ্যাড করা হয়েছে। মানে আপনি যখন সূচীপত্র থেকে কোন বিষয় পড়তে চাবেন, তখন আপনাকে কষ্ট করে বিষয়টা খুঁজতে হবে না। আপনি সুধু বিষয়টির উপর ক্লিক করলেই, আপনাকে সেই বিষয়টি তাৎক্ষণিক দেখানো হবে। আবার বইটির বাম দিকে Bookmark অপশনে ক্লিক করলে, আপনাকে সূচীপত্র দেখাবে।

 

নবীদের কাহিনী ১ম খণ্ড – QA Server
 

নবীদের কাহিনী ২য় খণ্ড – QA Server

ডাউনলোড করুন MediaFire থেকে

নবীদের কাহিনী ১ম খণ্ড – Mediafire
 

নবীদের কাহিনী ২য় খণ্ড – Mediafire

[divider]

নবীদের কাহিনী – Nobider Kahini Android App

Download from here – https://play.google.com/store/apps/details?id=com.simpleappandroid.nobiderkahini&hl=en

Print Friendly, PDF & Email


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

46 মন্তব্য

  1. সত্যই আপনাদের ওয়েবসাইট টি প্রসংশনিয়। আল্লাহ আপনাদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন এই দোয়া করি। আপনারা সকল সত্য কাহিনী নিয়ে আরো বিস্তারিত আমাদের মাঝে তুলে ধরবেন এই আশা করি।

  2. boiti porlam and MUSA ALAIHIOASALLAM er ghotona porsi.but Quran er tafsir er prottekta ayat e specially bangla tafsir er khetre ALLAH ke bohu bochon hishabe ullekh kora hoeche.doia kore ai omarjonio vulti as soon as possible correction korben.
    r lekhar quality aro improve kora dorkar.specially noby-rasulgon ke jotha jotho name daka ta tader hauqe er moddhe pore.asha kori bishoiti bujte perechen.

  3. @9a6ab471a2ab8a3478c4a4c87ae1ebc0:disqus আমি বইটি মাত্র ডাউনলোড করলাম, এখনি পড়া শুরু করি নাই। আমার মনে হয় বইটাতে আল্লাহকে বহুবচনে লিখা হয়েছে কারন আল্লাহ নিজেই কুরআনে বিভিন্ন স্থানে বহুবচন ব্যবহার করেছেন। আরবী ভাষায় আভিজাত্য প্রকাশের জন্য একবচনের জায়গায় বহুবচন ব্যবহার করা হয়। ইংলিশে এটাকে Royal Plural বলে।

  4. কিছু ওয়েবসাইটে আপনি এই বইটি পেতে পারেন, কিন্তু আমাদের ওয়েবসাইটে যেই ভার্সনটা দেওয়া হল এইটাতে Interactive Link অ্যাড করা হয়েছে। মানে আপনি যখন সূচীপত্র থেকে কোন বিষয় পড়তে চাবেন, তখন আপনাকে কষ্ট করে বিষয়টা খুঁজতে হবে না। আপনি সুধু বিষয়টির উপর ক্লিক করলেই, আপনাকে সেই বিষয়টি তাৎক্ষণিক দেখানো হবে। আবার বইটির বাম দিকে Bookmark অপশনে ক্লিক করলে, আপনাকে সূচীপত্র দেখাবে।

  5. রশ্নঃ আমরা জানি আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় । কিন্তু
    ‘নবীদের কাহিনী’ বইয়ের বিভিন্ন স্থানে আল্লাহর শানে ‘আমরা’ ব্যবহার করা
    হয়েছে । এর কারণ কী ? কুরআনে কেন আল্লাহ তায়ালা ‘আমরা’ বাক্যটি ব্যবহার
    করেছেন, যদিও আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়??

    উত্তরঃ মনগড়াভাবে
    কুরআনের
    কোন শব্দ বা আয়াতের অর্থ করা যাবে না । ইমাম রাযীন বলেছেন, যে ব্যক্তি তার
    নিজ মতামত দ্বারা কুরআনের ব্যাপারে কিছু বলে ভুল করল, সে কুফরী করল ।

    একদা আবুবকর (রাঃ)-কে একটি অক্ষরের ব্যাখ্যা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন,
    ‘যদি কিতাবুল্লাহর একটি অক্ষরের ব্যাপারে এরূপ কথা বলি যেরূপ আল্লাহর
    উদ্দেশ্য ছিল না, তাহলে কোন্ আসমান আমাকে ছায়া দিবে, কোন যমীন আমাকে
    বিশ্রামের স্থান দিবে? আমি কোথায় যাবো আর কী করবো ? (বিস্তারিত, তাফসীর
    কুরতুবী মুকাদ্দামা) ।

    পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ স্বীয়
    সম্মান-মর্যাদা বুঝানোর জন্য এরূপ বহুবচন শব্দ (নাহনু-আমরা) ব্যবহার করেছেন
    । সেকারণে ‘নবীদের কাহিনী’ বইয়ে সংশ্লিষ্ট আয়াতে যেখানে বহুবচনের শব্দ
    এসেছে সেখানে বহু বচনেরই অর্থ করা হয়েছে । মূলতঃ আল্লাহর বড়ত্ব ও মহত্ব
    বুঝানের জন্যই বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে । যেটা ভাষার অলংকারের মধ্যেও পড়ে ।
    [from Monthly At-Tahreek, june-2010]

  6. কোরানে ২০ জন নবীর একটি বেশী/কম নেই।চেক করুন দয়া করে…৬/৮৩-৯০,১৯/৫৪,৩৩/৪০। নবী হতে হলে তিনটি শর্ত যেমন ১।কিতাব, ২।কর্ত্তত্ব, ও ৩।নবুওতী। আদম, সালেহ,যুল্কারনাইন,হুদ,যুলকিফল নবী ছিলেন না। আদম অর্থ মানুষ।যেমন আদমশুমারী,আদম ব্যাপারী।

  7. রাসুল (স:) স্ত্রীদের সম্পর্কে একটি ধারাবাহিক পোষ্ট দেয়ার অনুরোধ করছি। বাংলা ব্লগের জঘন্য সাইট মুক্তমনারা রাসুলের বিয়ে সম্পর্কে আজেবাজে লিখে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

  8. অমি মোহাম্মদ জোবায়ের,আমার কিছু প্রশ্ন আছে,আপনারা কি সকল ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন?

  9. @Mahbubur Rahman  vai apni ulto kotha bolechen … sokol Rasul e Nobi chilen kintu Sokol Nobi e Rasul chilen na…Rasul tara e chilen jader upor rishalat esheche ba .. kitab esheche…. 
    Allah (s.w.t) amader sobbai k sothik vabe bujhte shahajjo korun .. Aameen

  10. @Mahbubur Rahman  vai apni ulto kotha bolechen … sokol Rasul e Nobi chilen kintu Sokol Nobi e Rasul chilen na…Rasul tara e chilen jader upor rishalat esheche ba .. kitab esheche…. 
    Allah (s.w.t) amader sobbai k sothik vabe bujhte shahajjo korun .. Aameen

  11. @মহী
    আমার ব্লগ pytheya.blogspot.com-এ ‘মুহম্মদের বিবিগণ’ শিরোনামে একটা আর্টিকেল আছে পড়ে দেখতে পারেন।

  12. @elius ahmad  ভাই ইলুস আহমেদ আমার কাছে এটার উপযুক্ত সঠিক উত্তর আছে, আর তা হল রাজকীয় বা উচ্চমর্যাদার জন্য আরবি ভাষায় আমি এর পরিবর্তে আমরা ব্যবহার করা হয়, যেমন ব্রিটেনের রানী যখন তার রাজসভায় তার মত প্রকাশ করে বলেন  আমরা এ কাজ করব তা এটা বার্তায় না যে তিনি অনেক গুলো বরং এখানে ‍সুপার পুলুরাল প্রোনাউন ব্যাবহার করা হয় আর এটা  এরাবিক ভাষায় মহত্য যা অন্য কোন ভাষায় নাই মূলত ভাষার র্দূর্ভলাতার কারনে আমাদের ভাষায় আমরা ব্যাবহার করা হয়

  13. vi apnar boktobbota udro koren karon adom somporke allah pobitr qurane bistarito bolesen. apni akhon ato bosor pore bolben adom kono nobir namna ata somogro manob jatir nam, eta apnar akanto bekto goto montobbo. eta prosar korbenna plis plis plis. valo thekben

  14. @Muslim vi apnar uttor jodi mene nai jahole ai site jotogule quraner bangla onubad pease. tate sob jaygay ami bebohar hoease kenoa? are apnader mongora uttor diea quraner opo bekha korbenna, proyojone alemder sathe bose age quraner ortho thik korun.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.