রাসূল (সাঃ) এর কোন সুন্নাহের প্রতি ঠাট্টা বিদ্রুপের বিধান
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না
প্রশ্ন:
দাঁড়ি, টাখনুর উপর কাপড় পরিধান এবং অন্যান্য সুন্নাহের প্রতি ঠাট্টা বিদ্রুপের বিধান কি?
যখন কাউকে উপরোক্ত সুন্নাহের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় তখন যারা বলে ‘আমাদের মন তো পরিষ্কার, এসবের দরকার কি?’ তাদের ক্ষেত্রেও বা কি বিধান ?
উত্তরঃ
দাঁড়ি, এমন কোন কাপড় পরিধান যার দৈর্ঘ্য রাসূল (সাঃ) এর সুন্নাহ অনুসারে ছোট (যেমনঃ টাখনুর উপর কাপড় পরিধান ) ইত্যাদি নিয়ে হাসি-তামাশাকারী একজন কাফির যদি তিনি এটা জেনে থাকেন যে, এটা আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কর্তৃক সাব্যস্ত সুন্নাহ।
কেননা, এর দ্বারা সে পক্ষান্তরে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর কথা এবং কাজকে নিয়ে তামাশা করছে। সে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর বিরোধিতা করছে এবং তাঁর সুন্নাহ নিয়ে ঠাট্টা করছে এবং যে ব্যক্তি রাসূল (সাঃ) এর সুন্নাহের তামাশা করছে এবং জেনে বুঝে বিদ্রুপে লিপ্ত হচ্ছে সে আর মুসলিম থাকে না।
আল্লাহ বলেন:
"আর যদি তুমি তাদের কাছে জিজ্ঞেস কর, তবে তারা বলবে, আমরা তো কথার কথা বলছিলাম এবং কৌতুক করছিলাম। আপনি বলুন,তোমরা কি আল্লাহর সাথে,তাঁর হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে? ছলনা কর না,তোমরা যে কাফের হয়ে গেছ ঈমান প্রকাশ করার পর। তোমাদের মধ্যে কোন কোন লোককে যদি আমি ক্ষমা করে দেইও,তবে অবশ্য কিছু লোককে আযাবও দেব। কারণ,তারা ছিল গোনাহগার।"
[সূরা আত তাওবাহ: ৬৫-৬৬]
যদি কোন ব্যক্তিকে আল্লাহর রাসূলের কোন সুন্নাহ মানার জন্য বলা হয় এবং সে যদি বলে ,’আমার মন তো পরিষ্কার,এসবের দরকার কি?’ এবং সে শরীয়াহ অমান্য করে তবে সে শয়তান মিথ্যাবাদী। কেননা, বিশ্বাস কথা ও কর্ম- এ দুই এর সমষ্টি।
এই ধরনের আকীদা পোষণ বিদাআতে লিপ্ত মুর্জিয়া সম্প্রদায়ের অনুরূপ যারা বিশ্বাসকে কেবল অন্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে এবং বাহ্যিক আমলকে অস্বীকার করেছে। অপরদিকে, অন্তর যদি বিশ্বাস দ্বারা পূর্ণ থাকে তবে তার অবশ্যই বাহ্যিক প্রকাশ ঘটবে।
রাসূল (সাঃ) বলেন:
‘’নিশ্চয়ই শরীরের মধ্যে একটি গোশতের টুকরা আছে; যখন তা ঠিক থাকে তখন সমস্ত শরীর ঠিক থাকে। আর যখন তা নষ্ট হয়ে যায়, তখন গোটা দেহই নষ্ট হয়ে যায়। আর তা হচ্ছে হৃৎপিণ্ড (দিল,হার্ট, হৃদয় বা অন্তঃকরণ)। ‘’
(বুখারী হাদিস নং ৫২ ও মুসলিম হাদিস নং ১৫৯৯)
তিনি আরোও বলেন:
‘’মহান আল্লাহ তোমাদের শরীর ও চেহারার প্রতি তাকাবেন না। বরং তোমাদের মনের ও কর্মের প্রতি তাকাবেন।‘’
(মুসলিম হাদিস নং ২৫৬৪)
অতএব, সত্যের অনুসরণ এবং ইসলামের আদেশ-নিষেধ মানতে অস্বীকার করা ঈমানহীনতার বহিঃপ্রকাশ যার মাধ্যমে তারা ইসলামের পথে আহবানকারীদের বাধা দেয়।
[islam-qa.com ত্থেকে অনুবাদকৃত]
*রিপোর্ট করুন





Subscribe(RSS)
আসসালামুআলাইকুম ভাই,কেমন আছেন ? আজকের তাজা খবর এই যে, নবীকরিম (সাঃ)এর একটি দাড়ি নাকি তুরস্কের জাদু ঘড়ে ছিল।সেই দাড়ি নাকি বাংলাদেশ সরকার অনুরোধ করে বাংলাদেশ এ নিয়ে এসেছে,এবং সেই দাড়ি নাকি আজ (22/02/2012)বায়তুল মোকারব (ঢাকা)লোক জনদের কে দেখানো হচ্ছে।মানুষ তো লাম্বা লাইনে দাড়িয়ে সেই দাড়ি দেখছে। এই ব্যাপারে যদি কিছু বলতেন তাহলে ভালো হত। কারন নবীকরিম (সাঃ)এর একটি দাড়ি যে তুরস্কের জাদু ঘড়ে ছিল তা আজকের আগে কখনো শুনি নাই। নাসির উদ্দিন,বাংলাদেশ।
আসসালামুয়ালাইকুম, আমার নাম সাজ্জাদ। আমার বয়স ২৭ বছর। আমার ১টা প্রশ্ন ছিল। আমি ছোট বেলাই শুনে ছিলাম, প্রশ্ন ঃ # কোনো মধ্য পান বেক্তি(নেশা গ্রস্ত) যদি কোনো গ্লাস বা কাঁপে পানি খেয়ে থাকে, যদি ওই গ্লাস বা কাঁপে কেঁউ পানি বা কিছু খেয়ে থাকে, তাহলে কি গুনাহ হবে কিনা? # গ্লাসটা দৌত কারা হলে ও কি তাতে কোনো কিছু খাওয়া জায়েচ কিনা?
আমার কয়েকটা প্রশ্ন আছে । যেমন ধরুন আমার বয়স ২৭ এবং আমার মুখে অল্প কয়েক্টা দাড়ি , কিন্তু আমি সেইভ করি । বাট অন্য যাদের বা যারা দাড়ি রাখেন তাদের সাথে কোন ঠাট্টা বিদ্রুপ বা অবহেলা করি না (১০০% মন থেকে)বরং তাদের স্মমান করতে চাস্টা করি। আবার আমার পোশাকের কিছু কাপড় আছে যা টাখনুর উপর আর কিছু আছে নিচে । কিন্তু যারা টাখুনর উপরে পড়েন তাদের সাথে ঠাট্টা বিদ্রুপ বা অবহেলা ত করিই না বরং তাদেরও স্মমান করতে চাস্টা করি ।
ami emon somossai ohoroho i pori.Allah sobaike bujhar o manar towfik din.Amin
I faced this kind of question many times that my soul is clean i dont need to dressed up modest cloth or keep bear or wear hijab..........JazakAllahu Khair i got my answer.