হে আমার মেয়ে! পর্ব ১

16
Print Friendly

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

অনুবাদ ও গ্রন্থনা: আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী   ।   ওয়েব সম্পাদনাঃ মোঃ মাহমুদগাফফার

 পর্ব ১ । পর্ব ২ । পর্ব ৩

জীবন সায়াহ্নে দাঁড়িয়ে নিজ মেয়ের প্রতি এক পিতার গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ 

যা পড়া দরকার যুবক, যুবতী, বিবাহিত, অবিবাহিত প্রতিটি মানুষের 

হে আমার মেয়ে!আমি চল্লিশের কোঠা পার হয়ে পঞ্চাশের পথে পা রেখেছি। যৌবনকে বিদায় দিতে যাচ্ছি। সেও আমার কাছ থেকে বিদায় নিতে চায়। নতুন কোন স্বপ্ন এবং উচ্চ আকাঙ্খা আর নেই।

আমি অনেকদেশ ও শহর ভ্রমণ করেছি, বহু জাতির সাহচর্য লাভ করেছি এবং জীবন ও জগৎ সম্পর্কে অনেক ধারণা অর্জন করেছি।

আজ আমার কাছ থেকে কয়েকটি কথা শুন! কথা গুলো সঠিক ও সুস্পষ্ট। এগুলো আমার বয়স ও অভিজ্ঞতার আলোকেই তোমাকে বলছি। আমি ছাড়া আর কেউ তোমাকে এগুলো বলবে না।

আমি অনেক লিখেছি, মিম্বারে ও সমাবেশে দাঁড়িয়ে অনেক ভাষণ দিয়েছি, অনেক নসীহত পেশ করেছি। উত্তম চরিত্র অর্জনের আহবান জানিয়েছি,অশ্লীলতা বর্জন ও সকল প্রকার অন্যায় কাজ বর্জনের ডাক দিয়েছি। নারীদেরকে ঘরে ফিরতে ও কুরআনের সুপ্রসিদ্ধ বিধান পর্দার আবরণে আবৃত হওয়ার আহবান জানিয়েছি, তাদের সৌন্দর্য্যরে স্থানগুলো ঢেকে রাখতে বলেছি। লিখতে লিখতে কলম এখন দুর্বল হতে চলছে কথা বলার সময় মুখে তা আটকে যাচ্ছে। এত কিছু করার পরও আমি মনে করি না যে, আমরা কোন অশ্লীল কাজ সমাজ থেকে দূরকরতে পেরেছি। বেহায়াপনা দিন দিন বেড়েই চলছে, পাপাচারিত দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে এবংঅশ্লীলতা দেশ থেকে দেশান্তরে ছড়িয়ে পড়ছে। আমার মনে হয় কোন ইসলামী দেশই এর আক্রমণ থেকে মুক্ত নয়। মিশর, সিরিয়া তথা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের সীমা পার হয়ে পাকিস্তান, বাংলাদেশসহ সমগ্র এশিয়ায় এর আক্রমণ বেড়েই চলছে। মহিলারা বের হচ্ছে পর্দাহীন হয়ে, সৌন্দর্যের স্থানগুলো প্রকাশ করে, মুখমন্ডল, বক্ষদেশ এবং কেশ উন্মুক্ত করে।

আমার ধারণা, নসীহত করে আমরা সফল হই নি। হে আমার কন্যা! তুমি কি জান কেন আমরা সফল হই নি? সম্ভবতঃ আমরা এখনও গ্রহণযোগ্য পন্থায় নসীহত করতে পারি নি এবং সংশোধনের দরজায় পৌঁছতে পারি নি।

 

হে আমার মেয়ে! আমরা তোমার দ্বীনী বোনদেরকে আল্লাহর ভয় দেখিয়েছি, কিন্তু কাজ হয় নি। অতঃপর অবৈধ্য সম্পর্ক ও ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার কারণে ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছি, কিন্তু কোন ফল হই নি। এবিষয়ে অনেক বই লেখা হয়েছে, বহু বক্তৃতা দেয়া হয়েছে, তাও ব্যর্থ হয়েছে। এখন আমি ক্লান্ত শরীরে পরাজিত সৈনিকের ন্যায় ময়দান ছেড়ে বিদায় নিতে চাচ্ছি। আমরা বিদায় নিয়ে তোমার দ্বীনি বোনদের ইজ্জত-সম্ভ্রম ও সতীত্ব রক্ষার দায়িত্ব তোমার হাতেই ছেড়ে দিচ্ছি, তোমার বিপদগামী বোনদেরকে উদ্ধার ও সংশোধনের বিষয়টি তোমার উপরই রেখে দিয়ে তোমার সফলতার দিকে চেয়ে আছি।

 

হে আমার মেয়ে! তুমি জেনে রেখো যে, তোমার হেফাজত তোমার হাতেই। এ কথা সঠিক যে, পাপের পথে অগ্রসর হওয়াতে পুরুষকেই প্রথম দায়ী করা যায়। নারীগণ কখনই প্রথমে এ পথে অগ্রসর হয় না। তবে তাদের সম্মতি ব্যতীত কখনই তারা অগ্রসর হতে পারে না, নারীগণ নরম না হলে পুরুষেরা শক্ত হয় না। মহিলাগণ দরজা খুলে দেয় আর পুরুষেরা তাতে প্রবেশ করে।

 

হে আমার মেয়ে!তুমি যদি চোরের জন্য ঘরের দরজা খুলে দাও আর চোর চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় তুমি যদি চিৎকার করে বলঃ হে লোক সকল! আমাকে সাহায্য কর? আমাকে সাহায্য কর, তাহলে তোমার চেঁচামেচি করা কি ঠিক হবে? তোমার কান্নাকাটিতে কি লাভ হবে? তোমার সাহায্যের জন্য কেউ কি এগিয়ে আসবে?

 

হে আমার কন্যা! তুমি যদি জানতে পার যে, পুরুষেরা হচ্ছে নেকড়ে, আর তুমি হচ্ছ ভেড়া, তাহলে কিন্তু তুমি নেকড়ের আক্রমণ থেকে ভেড়ার ন্যায় পলায়ন করবে। তুমি যদি জানতে পার যে, সকল পুরুষই চোর তাহলে কৃপণের ন্যায় তুমি তোমার সকল মূল্যবান সম্পদ পুরুষদের থেকে হেফজত করার জন্যে সিন্দুকে লুকিয়ে রাখতে। মনে রেখো! নেকড়ে কিন্তু ভেড়ার গোশত ছাড়া অন্য কিছু চায় না। আর পুরুষ তোমার কাছ থেকে যা ছিনিয়ে নিতে চায় তা কিন্তু ভেড়ার গোশতের চেয়ে অনেক মূল্যবান। তা যদি তোমার কাছ থেকে চলে যায়, তাহলে জেনে রাখবে তা হারিয়ে তোমার বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল। সে তোমার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদটি নষ্ট করতে চায়, তোমার সম্মানের বিষয়টি ছিনিয়ে নিতে চায় এবং তোমার অমূল্য রত্নটি অপহরণ করতে চায়। সেটি হচ্ছে তোমার সতীত্ব ও পবিত্রতা, যার মধ্যে নিহিত রয়েছে তোমার সম্মান, যা নিয়ে তুমি গর্ব কর এবং যা নিয়ে তুমি বেঁচে থাকতে চাও।আল্লাহর শপথ! পুরুষ তোমার এটিকেই নিয়ে নিতে চায়। এটি ছাড়া অন্য কথা কেউ বললে তুমি তা বিশ্বাস করো না।

 

হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!

এ ছাড়া সে অন্য কিছু চিন্তা করে না। তোমাকে যদি কেউ বলে, সে তোমার উত্তমচরিত্রে মুগ্ধ, তোমার আচার-ব্যবহরে আকৃষ্ট এবং সে কেবল তোমার সাথে সাধারণ একজন বন্ধুর মতই আচরণ করে এবং সে হিসাবেই তোমার সাথে কথা বলতে চায় তাহলে তুমি তা বিশ্বাস করো না। আল্লাহর শপথ! সে মিথ্যুক।

 

 হে আমার মেয়ে!যুবকেরা তোমাদের আড়ালে যে সমস্ত কথা বলে তা যদি তোমরা শুনতে, তাহলে এক ভীষণ ভীতিকর বিষয় জানতে পারতে। কোন যুবক তোমার সাথে যে কথাই বলুক, যতই হাসুক, যত নরম কণ্ঠেই বলুক ও যত কোমল শব্দই ব্যবহার করুক, সেটি তার আসল চেহারা নয়; বরং সেটি তার অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের ভূমিকা ও ফাঁদ ব্যতীত অন্য কিছু নয়। সুকৌশলে সে যতই তোমার সামনে তা গোপন রাখুক।আল্লাহর শপথ! এ ছাড়া তার উদ্দেশ্য অন্য কিছু নয়।

 

হে আমার মেয়ে!সে যদি তোমাকে তার ষড়যন্ত্রের জালে আটকাতে পারে তাহলে কি হবে? কি হবে তোমার অবস্থা? তোমার কি তা জানা আছে? একটু চিন্তা কর।

কোন নারী যদি এমন কোন দুষ্ট পুরুষের কবলে পড়ে যায়, তখন সে হয়ত সেই পুরুষের সাথে মিলে কয়েক মিনিট কল্পিত স্বাদ উপভোগ করবে। তারপর কি হবে? তুমি কি তা জান? পরক্ষণই সে তাকে ভুলে যাবে। সে তাকে দ্বিতীয়বার পাওয়ার আশাপোষণ করবে। হয়ত কয়েকবারের জন্য তাকে পেলে পেতেও পারে; তবে স্বামী হিসাবে তার সাথেচির দিন বসবাস করার জন্যে এবং স্বীয় যৌবন পার করার জন্যে নয়। সে অচিরেই তাকে ভুলে যাবে। এটিই সত্য। কিন্তু সেই মহিলাটি চির দিন সেই স্বল্প সময় উপভোগের জ্বালা ভোগ করতে থাকবে, যা কখনও শেষ হবে না। এও হতে পারে যে, সে তার পেটে এমন কলঙ্ক রেখে যাবে, যা থেকে কখনই সে পরিত্রাণ পাবে না। চির দিন তার কপালে হতাশার ছাপ থাকবে, চেহারায় দুশ্চিন্তার ছায়া পড়বে। সে তাকে ছেড়ে দিয়ে আরেকটি শিকার খুঁজতে থাকবে এবং নতুন নতুন সতীদের সতীত্ব ও সম্ভ্রম হরণ করার অনুসন্ধানে বের হবে।

 

হে আমার মেয়ে!এভাবে একটি যুবক অগণিত নারীকে নষ্ট করলেও আমাদের জালেম সমাজ তাকে একদিন ক্ষমা করে দিবে। সমাজ বলবেঃ একটি যুবক পথ হারা ছিল। সে সুপথে ফিরে এসেছে। এই অজুহাতে সে হয়ত সমাজের কাছে গৃহীত হবে এবং সকলেই তাকে গ্রহণ করে নিবে। আর তুমি অপমানিত, লাঞ্জিত হয়ে চিরদিন পড়ে থাকবে। আজীবন তোমার জীবনে কালিমা লেগে থাকবে, কোন দিন তা বিচ্ছিন্ন হবে না। আমাদের জালেম সমাজ কখনই তোমাকে ক্ষমা করবে না।

 

হে আমার মেয়ে!তোমার সম্মান তোমার হাতেই রেখে দিলাম এবং তোমার ইজ্জত-আভ্রু ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব তোমার উপরই ছেড়ে দিলাম। সুতরাং তোমার বোনদেরকে উপদেশ দাও, বিপদগমীদেরকে সংশোধন কর এবং সুপথে ফিরিয়ে আন।

 

হে আমার মেয়ে!তুমি তাদেরকে বলঃ হে আমার বোন! পথ চলার সময় কোন পুরুষ যদি তোমার দিকে তাকিয়ে দেখে তবে তুমি তার থেকে বিমুখ হয়ে যাও এবং তোমার চেহারা অন্য দিকে ঘুরিয়ে ফেল। এর পরও যদি তার কাছ থেকে সন্দেহজনক কোন আচরণ অনুভব কর কিংবা সে তোমার গায়ে হাত দিতে চায় অথবা কথার মাধ্যমে তোমাকে বিরক্ত করতে উদ্যত হয় তাহলে তোমার পা থেকে জুতা খুলে তার মাথায় আঘাত কর। তুমি যদি এ কাজটি করতে পার তাহলে দেখবে পথের সকলেই তোমার পক্ষ নিবে, তোমাকেই সাহায্য করবে। সে আর কখনও তোমার মত অন্য কোন নারীর উপর অসৎ দৃষ্টি দিবে না। সে যদি সত্যিই তোমাকে পছন্দ করে থাকে, তাহলে তোমার এই আচরণে তার হুঁশ ফিরবে, তাওবা করবে এবং তোমার সাথে হালাল সম্পর্ক গড়ার জন্যে বৈধ পন্থা অবলম্বনের দিকে অগ্রসর হবে।

 

হে আমার মেয়ে!শুন! নারীগণ যত উচ্চ মর্যাদাই অর্জন করুক, শিক্ষা ও জ্ঞানে যতই অগ্রগতিলাভ করুক এবং ধন-সম্পদ ও সুখ্যাতি যতই আয়ত্ত করুক, এতে তাদের প্রকৃত প্রত্যাশাপূর্ণ হবে না, তাদের মান-মর্যাদা, প্রসিদ্ধতা, সুখ্যাতি, ধন-সম্পদ তাদের মনকে শান্ত করবে না। বিবাহ ও স্বামীর সান্নিধ্যই কেবল দিতে পারে তাদেরকে অনাবিল শান্তি, এর মাধ্যমেই পূরণ হতে পারে তাদের প্রত্যাশা।
নারীগণ তখনই প্রকৃত শান্তি খুঁজে পায়, যখন সে একজন সৎ ও আদর্শ স্ত্রী হতে পারে, সম্মানিত একজন মা হতে পারে এবং একটি বাড়িও পরিবারের পরিচালক হতে পারে। এ ক্ষেত্রে একজন সাধারণ নারী থেকে শুরু করে রাণী, রাজকন্যা, অভিনেত্রী, বিশ্ব সুন্দরীর মাঝে কোন পার্থক্য নেই। সকলের ক্ষেত্রেই একই কথা। এ ক্ষেত্রে আমি নাম উল্লেখ না করে দু’জন নারীর উদাহরণ দিতে চাই। আমি তাদেরকে চিনি ও জানি। তারা উচ্চ শিক্ষিতা, ধনবতী ও সুসাহিত্যিক। স্বামী হারা হয়ে তাঁরা প্রায় পাগল অবস্থায় বেঁচে আছেন। কয়েক দিন আগেও তাদের জীবন ছিল স্বাভাবিক, মুখে ছিল হাঁসি আর আনন্দে ছিল ভরপুর তাদের জীবন। তাদের সবই আছে। হারিয়েছে শুধু স্বামী।

বিবাহ হচ্ছে প্রতিটি নারীর সর্বোচ্চ কামনা। এটিই তাদের মনের বাসনা। এটি দিয়েই তাদের মহান প্রভু তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। সে যদি পার্লামেন্টের সদস্যও হয়ে যায় কিংবা কোন রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টও হয়ে যায় তথাপিও তাদের মনের প্রকৃত বাসনা পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ না একজন বউ হয়ে স্বামীর ঘরে প্রবেশ করতে পারবে।

 

চলবেঃ

 


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

পাঠকের মন্তব্য

Loading Facebook Comments ...

16 মন্তব্য

  1. THIS IS A FINE ARTICLE BY THE AUTHOR. THE WOMEN CAN SHOW A CIVILIZED SOCEITY.YET THEY ARE DONATING US A DIRTY SOCEITY.A GOOD MOTHER CAN BE A GOOD GIFT TO A FAMILY AND SOCEITY AS WELL. BY THE NAME OF FREEDOM THEY ARE NOW BECOMING CLOTH-FREE,SHAME-FREE ETC.
     
    A.S.M.SALAHUDDIN,TEACHER, KHAGRAGAR,P.O.RAJBATI,BURDWAN-4,INDIA

  2. a woman can find peace only in islamic way of life, no where else. i am telling this from my own experiences. i was a working woman. women freedom is just a meaningless word. true peace is only in our own family with husbang and children. may Allah help all woman to realize the truth.

  3. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  4. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  5. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  6. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  7. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  8. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  9. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  10. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  11. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  12. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  13. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  14. হে আমার মেয়ে!পুরুষ যখন কোন যুবতী মহিলার দিকে দৃষ্টিদেয় তখন সে মহিলাটিকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কল্পনা করে। আল্লাহর শপথ!…।
    আপনি এই কথা কোন হাদিস কিংবা সুরায় পাইসেন বুঝলাম না। আপনার নিজস্ব কোন কথা কে আল্লাহর কসম দিয়ে সবার ক্ষেত্রে খাটাইয়া দিলে তো হবে না। না কি আপনি সকল পুরুষের কল্পনায় ভ্রমন করে ফেলসেন যে পুরুষ রা কিভাবে যুবতি মহিলা কে দেখে বস্তয়াব্রিত না বস্ত্রহীন অবস্থায় ! আপনার অন্য সব কথা শুনে অনেক ভাল লাগসে কিন্তু এই কথা  শুনে আর খুব আটকাতে পারলাম না, বলতে বলতে বেশি বলে ফেলসেন এই ধরনের মনে হল।  কারন আমি একজন পুরুষ আমি কখন কোন যুবতি কে বস্ত্রহীন অবস্তায় কল্পনা করি নি! যাই হউক,  
    আল্লাহ আমাদের  সবাই কে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং উত্তম আখলাক প্রদান করুন। যাযাক আল্লাহু খাইরান।

  15. ।। পর্দা করলে একজন নারীর সন্মান বাড়ে – কমে না কোনদিন – তাই প্রত্যেক নারীর পর্দা করা উচিত – পর্দা করলে নারীর সন্মান বাড়ে এইটা যদি সব নারী বুঝতো – প্রত্যেক নারীর মধ্যে যেন এই বোধ জাগে ।। ❤❤
     হে আমার মেয়ে!তোমার সম্মান তোমার হাতেই রেখে দিলাম এবং তোমার ইজ্জত-আভ্রু ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব তোমার উপরই ছেড়ে দিলাম। সুতরাং তোমার বোনদেরকে উপদেশ দাও, বিপদগমীদেরকে সংশোধন কর এবং সুপথে ফিরিয়ে আনো।  ❤❤
    হে আমার মেয়ে!তুমি তাদেরকে বলঃ হে আমার বোন! পথ চলার সময় কোন পুরুষ যদি তোমার দিকে তাকিয়ে দেখে তবে তুমি তার থেকে বিমুখ হয়ে যাও এবং তোমার চেহারা অন্য দিকে ঘুরিয়ে ফেল। এর পরও যদি তার কাছ থেকে সন্দেহজনক কোন আচরণ অনুভব কর কিংবা সে তোমার গায়ে হাত দিতে চায় অথবা কথার মাধ্যমে তোমাকে বিরক্ত করতে উদ্যত হয় তাহলে তোমার পা থেকে জুতা খুলে তার মাথায় আঘাত কর। তুমি যদি এ কাজটি করতে পার তাহলে দেখবে পথের সকলেই তোমার পক্ষ নিবে, তোমাকেই সাহায্য করবে। সে আর কখনও তোমার মত অন্য কোন নারীর উপর অসৎ দৃষ্টি দিবে না। সে যদি সত্যিই তোমাকে পছন্দ করে থাকে, তাহলে তোমার এই আচরণে তার হুঁশ ফিরবে, তাওবা করবে এবং তোমার সাথে হালাল সম্পর্ক গড়ার জন্যে বৈধ পন্থা অবলম্বনের দিকে অগ্রসর হবে। ❤❤
    ।। হে আমার মেয়ে আমার পুরাটাই অনেক ভালো লাগছে – লেখক’কে আমার অনেক অনেক শুভেচ্ছা ।।❤❤
    ।। ❤❤ ।।
    ।। (>_<) ।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here