সীরাহ কেন পড়া উচিৎ? মুহাম্মাদ (সাঃ), সবদিক থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ – চতুর্থ পর্ব

2
Print Friendly

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব তৃতীয় পর্বচতুর্থ পর্বপঞ্চম পর্ব শেষ পর্ব

ব্যবহারের দিক দিয়ে সর্বশ্রেষ্ঠঃ

  • রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) কখনোই উন্মত্ত ছিলেন না।
  • রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) কখনোই তাঁর অঙ্গীকার ভঙ্গ করতেন না।
  • রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) কখনোই প্রতিশোধপরায়ণ ছিলেন না।
  • তিনি(সাঃ) কখনোই কোনো নারীর গায়ে হাত তোলেনে নি।
  • তিনি(সাঃ) কখনোই মিথ্যা বলেন নি।

ইসলাম প্রচারের পূর্বে তিনি(সাঃ) সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং নবুওয়্যত্বের পর বিশ্বাসীদের মা আয়ে’শা বলেনঃ “ তাঁর(সাঃ) ব্যবহারই ছিল কোরআন।’’

রাজনৈতিক চেতনায় সর্বশ্রেষ্ঠঃ

“আল-আহযাব অভিযানের পর তিনি বলেছিলেনঃ আজ থেকে আমরা তাদের আক্রমণ করব, তারা নয়।”

আধ্যাত্নিকতায় সর্বশ্রেষ্ঠঃ

“তিনি(সাঃ) এত বেশি সালাত আদায় করতেন যে তাঁর পা ফুলে যেত এবং তিনি বলতেনঃ আমি কি আল্লাহর প্রতি একজন কৃতজ্ঞ বান্দা হব না?”

শত্রুদের প্রতি দয়া প্রদর্শনে সর্বশ্রেষ্ঠঃ

“তোমাদের পথে তোমরা চলে যাও, কারণ তোমরা স্বাধীন।”

মানুষের অন্তরে অনুপ্রেরণা যোগানোয় সর্বশ্রেষ্ঠেঃ

“এমন এক সময় আসবে যখন ইসলাম দিবারাত্রির মত চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়বে যে একজন মহিলা হিরাতে তার ঘর থেকে বের হয়ে কা’বার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে অন্তরে আল্লাহর ভয় নিয়ে, আর কারো ভয়ে নয়।”

সাহসিকতায় সর্বশ্রেষ্ঠঃ

“যখন হুনাইন যুদ্ধের সময় তিনি বলেছিলেনঃ আমিই নবী, মিথ্যাবর্জিত এবং আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র।”

চারপাশে লোক জড়ো করানোর সক্ষমতায় সর্বশ্রেষ্ঠঃ

“তিনি মানুষের সামর্থ্য বুঝতেন এবং প্রত্যেককে তাদের যোগ্য জায়গায় নিযুক্ত করতেন…..

তরুণদের সাথে সর্বশ্রেষ্ঠঃ

তিনি(সাঃ) যুবকদের জড়ো করে তাদের জন্য তীর ছোড়ার প্রতিযোগিতা আয়োজন করতেন এবং বলতেনঃ “ও ইসমাঈলের দৌহিত্ররা ছোড়ো, কারণ তোমাদের পিতামহ একজন তীরন্দাজ ছিলেন।” তিনি তাদেরকে দলে দলে ভাগ করতেন এবং নিজেকে এক দলে অন্তর্ভূক্ত করতেন, তারপর তার দলের সদস্যরা তীর ছুড়তে থাকত আর অন্যরা তা করত না। তারপর তিনি তাদের জিজ্ঞেস করতেনঃ “তোমরা কেন ছোড়ো না?” তারা উত্তর দিতঃ “আমরা কিভাবে ছুড়ব যখন আপনি অন্য দলে থাকেন?” প্রতুত্তরে তিনি(সাঃ) বলতেনঃ “ছোড়ো এবং আমি তোমাদের সবার সাথেই আছি।”

স্ত্রীদের দৃষ্টিতে সর্বশ্রেষ্ঠঃ

খাদেজা (রাঃ) সাক্ষ্যঃ “আল্লাহ্ আপনাকে কখনোই নিরাশ করবেন না।” স্ত্রীরা তাদের স্বামীদের জন্য সর্বোত্তম বিচারক এবং তাদের দোষত্রুটি সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জ্ঞাত।

 


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

পাঠকের মন্তব্য

Loading Facebook Comments ...

2 মন্তব্য

  1. I have to interview someone of the Islam religion for a paper I am writing.

    Here are the questions you need to answer:

    1. What do you believe in?
    2. What are the values, characteristics, beliefs or rituals that your religion believes in.
    3. How does one qualify for this group?
    4. How often do you pray?
    5. How has this religion impacted your life?
    6. Have you ever questioned your faith?
    7. What spiritual challeges or obstacles have you encountered?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here