ইসলামের সহজসাধ্যতা ও সরলতা


প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

অনুবাদঃ আবদ্‌ আল-আহাদ | ওয়েব সম্পাদনাঃ শাবাব শাহরিয়ার খান | English Version

প্রকাশনায়ঃ কুরআনের আলো ওয়েবসাইট

208

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ্‌,

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীনের জন্য। দরূদ ও সালাম অবতীর্ণ হোক প্রিয় নাবী মুহাম্মাদ (সা) এর উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সঙ্গী-সাথীদের উপর।

 

লেখার শুরুতেই একটি বিষয় খুব ভালভাবে পরিষ্কার করে নেয়া দরকার। আজকের প্রবন্ধটিতে ইসলাম মেনে চলা কতটা সহজ এবং বাস্তবধর্মী তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে যদিও দেখানো হয়েছে যে ইসলাম অতিসহজ ও নির্ঝঞ্ঝাট এক জীবন ব্যবস্থার নাম তথাপি এমনটি ভাবার কোন অবকাশ নেই যে ইসলাম পালনকারী একজন মুসলিমের জীবনে কোন বাধা-বিঘ্ন কিছুই থাকবে না। বরং সত্য হল তার উল্টোটি। কারণ ইসলাম পালনকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকেই আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীন পরীক্ষা করবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং, যদিও কেউ ইসলাম মেনে চলার ক্ষেত্রে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয় এবং তা মেনে চলে, তারপরও তিনি ইসলাম মেনে চলার ব্যাপারে কতটুকু বদ্ধপরিকর তা আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীন পরীক্ষা করে ছাড়বেন।

 

অনেক মানুষের মধ্যে একটা ভুল ধারনা আছে যে ইসলাম মেনে চলা খুবই কঠিন এবং ইসলামের বিধি-নিষেধ মেনে চলা খুবই ঝামেলার কাজ। মানুষের মধ্যে এই ধরনের ভুল ধারনা থাকার সম্ভাব্য কারণ হল তারা ইসলাম সম্পর্কে মোটেই জ্ঞান রাখেনা এবং তাদের এতোটুকু বোধশক্তি নেই যে তারা বুঝবে ইসলাম মেনে চলা কতটা সহজ। ইসলামের  বুনিয়াদী শিক্ষা তথা মূলনীতিগুলো বিবেচনা করলেই বুঝা যায় ইসলাম কত সহজ একটা জীবন ব্যবস্থার নাম, এটা মেনে চলা কতটা সহজ এবং কতটা বাস্তবধর্মী।

 

ইসলামিক বিশেষজ্ঞদের সকলেই এ বিষয়ে একমত যে, পৃথিবীতে সমস্ত বিষয়াবলীই ইসলামে অনুমোদিত যদি না কোন কিছুকে বিশেষভাবে উল্লেখ করে নিষিদ্ধ করা হয়ে থাকে। কাজেই দেখা যাচ্ছে, কোন কিছুকে নিষিদ্ধ বলতে চাইলে তার স্বপক্ষে দলীল হাজির করা লাগবে নতুবা সেটা নিষিদ্ধ হবে না। নিষিদ্ধ হওয়ার পক্ষে দলীল-প্রমান না থাকলে সেটা ইসলামে অনুমোদিত। পার্থিব সকল ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে, যেমনটি হবে ধর্মীয় ক্ষেত্রে। আর সে কারনেই ইবাদতের ক্ষেত্রে কোন কিছু করার সুস্পষ্ট অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও সেটা করা হলে তা বিদ’আহ্‌ বলে গণ্য হবে। এ বিষয়ে প্রমানস্বরূপ নিম্নোক্ত আয়াত দুটো উল্লেখ করা যায়ঃ

 “…তোমাদের পক্ষে যা সহজ আল্লাহ্‌ তাই চান ও তোমাদের পক্ষে যা কষ্টকর তা তিনি চান না…[সূরা বাকারাহ্‌; ০২:১৮৫]

…তিনি (আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীন) দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন কঠোরতা আরোপ করেন নাই[সূরা হজ্ব; ২২:৭৮]

নিম্নোক্ত হাদিসটিও উপরিউক্ত আয়াত দুটির স্বপক্ষের দলীলঃ

“দ্বীন সহজ এবং যে কেউ দ্বীনকে নিজের জন্যে কঠিন করে ফেললে সে তা আর পালন করতে পারবেনা। সুতরাং, তোমাদের উচিৎ হবে না চরম পন্থি হওয়া। বরং সাধ্যমত নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা কর এবং সুসংবাদ গ্রহণ কর যে তোমরা প্রতিদান প্রাপ্ত হবে; এবং সকালে ও রাতে ইবাদতের মাধ্যমে শক্তি সঞ্চয় কর।” [সহীহ্‌ আল-বুখারী; ১:২:৩৮]

এমনকি ইমাম বুখারী (রহিমাহুল্লাহ্‌) তার সহীহ্‌ আল-বুখারীতে ইসলাম কত সহজ একটি জীবন ব্যবস্থা তা তুলে ধরার জন্য দ্বীন (ইসলাম) সহজনামে একটি অধ্যায় রচনা করে সেখানে তা প্রমান করে দেখিয়েছেন।

প্রথমত, ইসলাম মেনে চলা যে কঠিন কিছু নয় তার প্রমান হল, ইসলামে পার্থিব সকল কিছুই অনুমোদিত যদি না কোন কিছু আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীনের কিতাব এবং রাসূল (সা) এর হাদীসে অথবা সেগুলোর উপর ভিত্তি করে উপনীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ হয়ে থাকে। আল্লাহ্‌র দুনিয়ায় অসংখ্য বিষয় আছে তার মধ্যে মাত্র হাতেগোনা কিছু বিষয় আমাদের জন্য নিষিদ্ধ। ইসলাম কোন দুনিয়া বিমুখ জীবন ব্যবস্থা নয় যা তার অনুসারীদের দুনিয়ার কাজকর্ম বাদ দিয়ে পাহাড়ের গুহায় বসে আল্লাহ্‌র ধ্যান করতে শিক্ষা দেয়। বরং ইসলাম এ ধরনের চর্চার ঘোর বিরোধী। ইসলাম মানুষকে এক স্বাভাবিক এবং ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপনের পথে উৎসাহিত করে যেখানে একজন ব্যক্তি আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীন নির্ধারিত সীমারেখার ভিতরে থেকে সামাজিক জীবন যাপন করবে, তার প্রতি আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীনের যে হক তা আদায় করে নিজের প্রতি নিজের হক ও অন্যান্য সৃষ্টিকুলের প্রতি তার হক আদায় করবে।

ইসলাম সকল সৃষ্টিকুলের অধিকার নিশ্চিত করেছে; অন্যায়ভাবে কোন মানুষ বা জীবজন্তু বা গাছপালা এমনকি নিজের ক্ষতি হয় এমন কিছু করা যাবেনা। ইসলামের শিক্ষা হল আমাদেরকে যে কোন মুল্যে সকল প্রকার অন্যায় ও অপকর্ম থেকে দূরে থাকতে হবে। এমনকি যে সব কাজকর্ম মন্দের পথে চালিত করে সেগুলো থেকেও বিরত থাকতে হবে। একজন মানুষ হিসেবে প্রত্যেকের কিছু মৌলিক দায়িত্ব এবং কর্তব্য আছে সেগুলো পালন করতে হবে। যদি উক্ত কাজগুলো ঠিকঠাক সম্পন্ন করতে পারি তাহলে আমরা ইসলাম অনুমোদিত অন্যান্য বিষয়গুলো প্রাণভরে উপভোগ করতে পারব।

ইসলাম হল দ্বীনুল ফিতর্‌ তথা প্রাকৃতিক বা স্বভাব ধর্ম; ইসলাম এমন একটি জীবন ব্যবস্থা যা মানুষের মেজাজ মর্জির সাথে একশত ভাগ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইসলাম তার অনুসারীদেরকে এমন কোন কিছু করতে বলে না যা তার মানবীয় প্রকৃতির বিরুদ্ধে যাই। পুরো কুর’আন এবং রাসূল (সা) এর হাদীস খুঁজে ইসলামের এমন একটি বিধান দেখান যা মানব প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এমন কোন কিছুই আপনি খুঁজে পবেন না।

ইসলাম কখনই আমাদের জন্য বোঝাস্বরূপ নয়। আর ইসলাম কখনো আমাদেরকে তা করতে বলে না যা করার ক্ষমতা মানুষ হিসেবে আমাদের নেই। ইসলাম কখনই এমন কিছু করতে বলে না যাতে করে আমাদেরকে নিজেদের ব্যক্তিত্ব, টাকা-পয়সা, সামাজিক জীবন সবকিছুকে বিলিয়ে দিতে হয়। এমনও নয় যে ইসলাম মানতে হলে আমাদেরকে দিনরাত সালাত আদায় করতে হবে আর রোজা রাখতে হবে। বরং এমনটি করা নিষিদ্ধ। আমাদের কাছে ইসলামের দাবী হল এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যেখানে আমরা আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীনের ইবাদত করার পাশাপাশি অন্যান্য মানুষের প্রতি আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করতে পারি আবার নিজের দিকেও খেয়াল রাখি। ইসলাম নির্ধারিত পন্থায় অন্যান্য মানুষদের প্রতি দায়িত্ব পালন করলে সেটাও ইবাদতের মধ্যেই পড়ে। আপনি ইসলামের এমন একটি বিধানও দেখাতে পারবেন না যা মেনে চলা আমাদের মানবীয় ক্ষমতার বাইরে।

মানুষের কাছে ইসলাম মেনে চলা এতো কঠিন মনে হওয়ার একটি কারণ হল শয়তান তাদের কাছে খারাপ এবং মন্দ কাজগুলোকে অত্যন্ত মহনীয় করে উপস্থাপন করে এবং সৎকর্মগুলোকে কঠিন ও বিরক্তিকর করে উপস্থাপন করে। ফলে তারা সৎকর্ম সম্পাদনের ব্যাপারে অনীহা ও অনাগ্রহ বোধ করে। এতোদসত্ত্বেও কেউ যদি শয়তানি ওয়াস-ওয়াসাকে জয় করে ইসলাম পালনের ব্যাপারে সচেষ্ট হয় তাহলে ইসলাম যে সমস্ত কাজগুলোকে ভাল বলে সেগুলো করা তার জন্য কোন কঠিন কিছু মনে হবে না এবং কাজগুলো করে সে মনের ভেতর এক অকৃত্রিম সুখ অনুভব করবে। ফলে মন্দ আর পাপের কাজগুলো তার কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে। আপনি নিজেই একবার পরখ করে দেখুন ভাল কাজ করে মনে কি সুখ অনুভুত হয়।

ইসলাম তার অনুসারীদের যা শিক্ষা দেয় তা হল একমাত্র আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীনের ইবাদত করা অর্থাৎ তাঁর সাথে ইবাদতের ক্ষেত্রে কাউকে শরীক না করা, দিনে রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা, বছরে মাত্র একটি মাস সাওম বা রোজা রাখা, বছরান্তে একবার উদ্বৃত্ত সম্পদের শতকরা আড়াই ভাগ যাকাত হিসেবে দান করা, সম্ভব হলে জীবনে একবার হজ্ব করা এবং সাধারণভাবে আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীনের সমস্ত সৃষ্টিকুলের প্রতি সদ্য় আচরণ করা, নিষিদ্ধ বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকা এবং সৎ চরিত্র বজায় রেখে জীবন যাপন করা। উল্লেখিত বিষয়গুলোর কোন একটিও মেনে চলার জন্য একজন মানুষের সমর্থের বাইরে নয় বা অসম্ভব কিছু নয়। এমন একটি বস্তুও ইসলাম আমাদের জন্য নিষিদ্ধ করেনি যা আমাদের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয়। বরং লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে ইসলামে যা কিছু নিষিদ্ধ তার প্রত্যেকটিই আমাদের জন্য ক্ষতিকর।

আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা মনে রাখতে হবে তা হল আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীন হলেন রহমানএবং গফুর। অর্থাৎ, তিনি হলেন পরম করুণাময় এবং পরম ক্ষমাশীল। আমরা ইসলাম মেনে চলার ক্ষেত্রে আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করা সত্ত্বেও যদি কোন প্রকার মানবিক ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েই যায় তাহলে আমাদের জন্য তাঁর তওবার দরজা সর্বদায় উন্মুক্ত।

ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো উপলব্ধি করা খুবই সহজ এবং মেনে চলার ক্ষেত্রে চরম বাস্তবধর্মী। ইসলামের সারল্য মাধুর্য এবং বাস্তবধর্মীতা এই জীবন ব্যবস্থাকে দিয়েছে একটি বিশ্বজনীন জীবন ব্যবস্থার সুমহান মর্যাদা যা শারীরিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা নির্বিশেষে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ মেনে চলতে সক্ষম। ইসলামের এই মাধুর্যময় সারল্য এবং বিশ্বজনীন আবেদনের কারনেই সারা পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা আজ দলে দলে ইসলামের সুশীতল ছায়া তলে আশ্রয় গ্রহণ করছে।

আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীন আমাদের সকলকে সঠিকভাবে ইসলামকে উপলব্ধি করার ও মেনে চলার তৌফিক দান করুন। আমীন।



'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

পাঠকের মন্তব্য

Loading Facebook Comments ...

Comments

  1. ভাই সাহেব সালাম নিবেন, আমি যদি পরিপূর্রণ ইসলামে থাকতে চাই তাহলে ব্যাধি হলে ডাক্তার দেখাতে পারবো কি  ? আর যদি পারি তবে হিন্দু ডাক্তারের বেলায় ও কি তা বহাল থাকবে ? 

  2. আমরা এই ওয়েবসাইট থেকে কোন প্রকার ফাতাওা প্রদান করি না। আপনার যে কোন ইসলামিক প্রশ্ন/ফাতাওার জন্য ভিজিট করুন – www.IslamQA.com অথবা http://en.islamtoday.net/

  3. Engr. Md. Sakawat Ali

    Very good article. People can take lesson from this article. Jajakallahu khair.

  4. রং তুলির ছিঁটেফোঁটা

    ❑ ভ্রু প্লাক করা হারাম!! আপনার মা, বোন কে জাহান্নাম এর আজাব থেকে রক্ষা করুন। বর্তমান সময়ের ফ্যাশন সচেতন বোনেরা অনেকেই ভ্রু প্লাক করে থাকেন এবং নানা রঙের নানা ধরনের পরচুলাও ব্যাবহার করে থাকেন। অথচ যারা এমন করেন, রাসুল (সাঃ) তাদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন। কাজেই বোনেরা আল্লাহকে ভয় করুণ এবং এই ধরনের হারাম কাজ থেকে বিরত থাকুন। ▣ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আল্লাহর অভিশাপ হোক সেই সবনারীদের উপর, যারা দেহাঙ্গে উল্কি উৎকীর্ণ করে এবং যারা করায়, এবং সেসব উপর, যারা ভ্রু চেঁছে সরু (প্লাক) করে, যারা সৌন্দর্য মানসে দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে।’ জনৈক মহিলা এ ব্যাপারে তার (ইবনে মাসউদের) প্রতিবাদ করলে তিনি বলেন, ‘আমি কি তাকে অভিসম্পাত করব না, যাকে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) অভিসম্পাত করেছেন এবং তা আল্লাহর কিতাবে আছে? আল্লাহ বলেছেন, “রাসুল যে বিধান তোমাদেরকে দিয়েছেন তা গ্রহন কর, আর যা থেকে নিষেধ করেছেন, তা থেকে বিরত থাক। (সূরা হাশরঃ ৭)” [সহীহ বুখারী ৪৮৮৬, ৪৮৮৭, ৫৯৩১, ৫৯৪৩, ৫৯৪৮] ▣ ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) যে মহিলা পরচুলা লাগিয়ে দেয় এবং যে পরচুলা লাগাতে বলে, আর যে মহিলা অঙ্গ প্রত্যঙ্গে উল্কি উৎকীর্ণ করে ও উল্কি উৎকীর্ণ করতে বলে তাদেরকে অভিশাপ করেছেন। [সহীহ বুখারী ৫৯৩৭, ৫৯৪০, ৫৯৪২, ৫৯৪৭] *মেয়েদের মধ্যে বিশেষ করে কলেজ ও ভার্সিটি পড়ুয়া তরুণীরা নিজেকে স্মার্ট আধুনিকা প্রমান করার জন্য ফতুয়া-জিন্স পড়ে থাকে। এই পোশাকের পাপ তিন প্রকারঃ – ১. পুরুষদের পোষাক পড়া – রাসুলুল্লাহ (সাঃ) অভিশাপ দিয়েছেন ঐ সমস্ত নারীদের প্রতি যারা পুরুষদের পোশাক পড়ে আর যে সমস্ত পুরুষেদের প্রতি যারা নারীদের পোশাক পড়ে (আবু দাউদ ৪০৯৭, ইবনে মাজাহ ১৯০৪)। – ২. অশ্লীলতা – এই পোশাকে নারীদের শরীরের অবয়ব প্রকাশ পায়, যা অশ্লীল কাজের অন্তর্ভুক্ত। – ৩. ওড়না না পড়া – বাইরে বের হলে নারীদের হিজাবের (মাথার ছোট্ট একটা রুমাল না, রেগুলার কাপড়ের উপরে অন্য একটা লম্বা ও ঢোলা কাপড় দিয়ে সারা শরীর ঢাকা কমপ্লিট পর্দা) উপরে এক্সট্রা বুকের উপরে কাপড় দিয়ে বের হওয়ার আদেশ আল্লাহ কুরানেই উল্লেখ করেছেন (সুরা আন-নূর ও সুরা আল- আহজাব)। – এই মেয়েগুলা প্রাপ্তবয়ষ্কা হলে তারা নিজেরাই আগুনে যাওয়ার পথের দিক হাটছে তবে এদের বাবা বা পুরুষ গার্জিয়ানেরাও এর জন্য দায়ী থাকবেন। একটা মেয়েকে ছোটবেলা থেকে হিজাব পর্দা শেখানো সেটা মেয়ের অভিভাবকের জন্য ফরয

  5. Bina like this

  6. ekjon momin baktir kache islamer neom mana sahoj kintu momin noi tar kache kathin mone habe atai savabik.

  7. ekjon momin baktir kache islamer neom mana sahoj kintu momin noi tar kache kathin mone habe atai savabik.

আপনার মন্তব্য লিখুন