মুসলিম দা‘য়ীদের স্ত্রীগণের প্রতি


প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না

রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

হে দায়ীদের (যারা দিনরাত ইসলামের দিকে আহবানে কর্মরত) স্ত্রীগণ!

আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং দৃঢ় থাকো  ধৈর্য্য ধারণ কর

নিশ্চয়ই তোমরা তোমাদের স্বামীদের কঠোর সংগ্রামের সফলতা এবং ব্যর্থতার কারণ

একটি প্রবাদ আছে, প্রতিটি মহান পুরুষের সফলতার পিছে রয়েছে একজন মহৎ নারী। অনেকেই এ প্রবাদের পক্ষে এবং অনেকেই এর বিপক্ষে। তবে আমাদের সকলেরই একথা স্বীকার করতে হবে যে একজন স্বামীর জীবনে তার স্ত্রীর গুরুত্ব অনেক; আর তাদের দায়িত্ব যদি তারা ঠিক মত পালন করে তবেই ইসলাম প্রচার আরও সুষ্ঠ ও সফলতার সাথে হবে। একারণেই আমাদের রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) একাধিক স্থানে নারীদের গুরুত্বের ব্যাপারে জোর দিয়েছেন, তিনি মুসলিম পুরুষদেরকে বিবাহের জন্য দ্বীনি মহিলাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়ার প্রয়োজনীয়তার প্রতি উৎসাহিত করেছেন; যে তার স্বামী, গৃহ তার সন্তানদের ব্যাপারে আল্লাহ্কে অধিক ভয় করে

আমরা বিশ্বাস করি কোন ব্যক্তিই আমাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করবেন না যদি আমরা বলি যে অন্য সবার চেয়ে প্রতিটি দা‘য়ীর একজন দুর্লভ, অসাধারণ এবং মহৎ স্ত্রীর প্রয়োজন যে তার দুঃসময়ে এবং সুসময়ে তার পাশে দাড়াবে, তাকে সমর্থন করবে, তার বাড়ীতে থেকে তার কাজ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে, ব্যাপকভাবে ইসলাম প্রচারের কাজে এবং তার লক্ষ্যে পৌঁছানোর ব্যাপারে তাকে উৎসাহিত করবে।

দায়ীদের স্ত্রীগণদের যেসকল বৈশিষ্ট থাকা উচিৎ:

) সাধারণ পুরুষদের থেকে একজন দা‘য়ী অনেক ভিন্ন। তার সময়সূচী অন্যদের মত নয় এবং তার উদ্বেগও অন্যদের থেকে পৃথক। সুতরাং তার কর্ম ও প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে অন্যদের থেকে আলাদা হবে। একজন সাধারণ ব্যক্তির উদ্বেগ শুধুমাত্র তার নিজস্ব ব্যাপারে যেমন তার অনড়ব, বস্ত্র ও বাসস্থান। অন্যদিকে, একজন দা‘য়ীর উদ্বেগ শুধুমাত্র এইসব বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয় বরং তার উদ্বেগ আরও উচ্চমাত্রার, যা হলো এই উম্মাহর পুনর্জাগরণ, উম্মাহর দুঃখ-দুর্দশার কারণে তার মন ব্যকুল থাকে এবং সে সর্বদা কর্মরত থাকে এমন এক ভীতিকর পরিস্থিতি পরিবর্তন করে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য।

) আয়-রোজগার এবং পরিবারবর্গের চাহিদা পূর্ণ করার মাধ্যমে কিভাবে সংসারে সুখ আনা যায় এইসব ছাড়া একজন সাধারণ পুরুষের আর অন্য কোন চিন্তা-ভাবনা নেই। অথচ একজন দা’য়ীর চিন্তা, দায়িত্ব ও কাজ সেই সাধারণের থেকে এত বেশি যে তার স্ত্রী ও সন্তানদেরকে সঙ্গ দেয়ার মত সময় তিনি খুব অল্পই পাবেন, আর তার নিজ স্বাস্থ্য ও সম্পত্তির বিষয়টা নাই বা উল্লেখ করলাম। তার ব্যস্ততা এমন পর্যায়েও বৃদ্ধি পেতে পারে যে তার স্ত্রী হয়ত ভাবতে শুরু করবে যে তার স্বামী তাকে অবহেলা করছে এবং তার নিজ পরিবারের দায়িত্ব পালন না করে এই মুসলিম উম্মহর কাজ কর্ম নিয়েই ব্যতিব্যস্ত আছেন।

সুতরাং, একজন মুসলিম মহিলা যদি তার স্বামীকে, যিনি একজন দা’য়ী, সমর্থন না করে এবং সাধারণ মহিলাদের থেকে চিহ্নিত করার মত তার বিশেষ কিছু গুণ না থাকে, এবং তার স্বামীর দায়িত্ব ও কর্মের ব্যাপারে লক্ষ্য না রাখে আর এটাও উপলদ্ধি করতে না পারে যে তার স্বামীর এই দায়িত্ব অন্য সকল কিছুর উপর প্রাধান্য পায়; তাহলে নিঃসন্দেহে শত্রু, প্রতিপক্ষ ও কাফেরদের মোকাবেলার এই যাত্রায় সেই দা’য়ীকে আরও কঠোরভাবে শ্রম দিতে হবে ও অনেক বেশি বাধা-বিপত্তির সম্মুখিন হতে হবে। আর এটাই হতে পারে তাদের (স্বামী-স্ত্রীর) সম্পর্কে প্রথম ফাটল।

ক্ষমা সূচক দৃষ্টিতে দেখবেন যদি আমরা উদাহরণ সরূপ একটি ঘটনা উল্লেখ করি যা আপনাদের কাছে এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে দিবে, যদিও এর দ্বারা আমরা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বুঝাচ্ছি না। আমরা একজন দা’য়ীকে কল্পনা করি যে তার সমস্ত কর্মশক্তি মানুষদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বানে ব্যয় করে, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করে এবং আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির আশায় এই উম্মাহর অবস্থান উত্তোলনের জন্য সারাদিন পরিশ্রমের পর ঘরে ফিরল।

অপ্রত্যাশিতভাবে তিনি লক্ষ্য করলেন যে যখন তিনি ঘরে ফিরলেন সেখানে একজন “মহিলা”(তার স্ত্রী) আছে যে তার এই সারাদিনের কর্মশ্রমকে অবমূল্যায়ন করছে;বিলাপ করছে এবং তার যে দীর্ঘ সময় ঘরে একা থাকতে হয় সে ব্যাপারে অভিযোগ করছে অথবা তার স্বামীর কানে সেই বাধা ধরা এক গুচ্ছ অভিযোগ ও দাবী করেই যাচ্ছে। আর সে এই সব তার স্বামীর মাথার উপর চাপিয়ে দেয় অথচ সে একবারও চিন্তা করেনা যে এর ফলে সে তার স্বামীর বা তাদের মধ্যে যে সম্পর্ক অথবা ইসলাম প্রচারের ক্ষেত্রে কতটা ক্ষতিকর হতে পারে।

কল্পনা করুন এমন এক মহিলার কথা যে দীর্ঘসময় তার স্বামীর ইসলাম প্রচারের সকল কার্যকলাপ দেখার পরও; তার কাছে খুব আশ্চর্য মনে হয় তার স্বামীর চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা; আর উম্মাহর এই দুর্বিসহ পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য যে পরিমান কর্মশক্তি প্রয়োজন অথচ সে এসব বিষয়ে মোটেও চিন্তিত নয়। আমি এমন মহিলাদের দেখেছি যারা তাদের স্বামীদের পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাদের নিরুৎসাহিত করে আর তাদের ইচ্ছা সংকল্প ধ্বংস করে দেয় অধিকন্তু, এই দ্বীন মুসলিম উম্মাহর প্রতি তার স্বামীর যে উৎকন্ঠা, উদ্দীপনা আবেগপূর্ণ আগ্রহ আছে তা নিঃশেষ করে দেয় এবং সকল পন্থায় তাকে নিরুৎসাহিত করে তার দায়িত্বের ব্যাপারে তাকে অবচেতন করে রাখে আর এসবের মাধ্যমে তাকে হতাশ বিষনড়ব করে তোলে এবং আরও সে তার স্বামীর কাছে এমন সব আবদার দাবী করে যা অপ্রয়োজনীয়, পূর্ণ করা খুব কঠিন অথবা প্রায় অসম্ভব

) এই পথে থাকলে যেসকল বাধা বিপত্তির সম্মখিন হতে হয়, যে রক্তাক্ত তীর তার বুকের দিকে ছোড়া হয় আর চারিদিক থেকে যে সকল আক্রমন আসে, এসকল কিছুর জন্য তার অত্যন্ত জরুরী হয়ে উঠে এমন একজন স্ত্রীর সঙ্গ যিনি, ইসলাম প্রচারে তার স্বামীর দায়িত্ব পালনে সকল প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পারে. দুঃসময়ে তার সাথে সহিষ্ণুতা ও ধৈর্য ধারণ করবে এবং তার এই কাটা বিছানো, কঠিন ও কষ্টকর পথে দৃঢ় থাকবে ও সমর্থন করবে। তার অবশ্যই ধৈর্যশীল ও স্থির সংকল্পের অধিকারিনী হতে হবে এবং এটাও উপলব্ধি করতে হবে যে তার স্বামীই প্রথম এবং একমাত্র নয় যিনি এই বিষ্ফোরক ও কাঁটা বিছানো পথে চলছে, বরং ইতিহাসের পাতায় এমন অগণিত মানুষ রয়েছে যাঁরা তাঁদের রক্ত উৎসর্গ করেছেন ইসলাম প্রচার এবং এই দ্বীন কায়েম করার জন্য।

তার এই বিষয়টিও উপলব্ধি করতে হবে যে তার স্বামী যত বিপদাপদ, ক্ষয়ক্ষতি আর হুমকির মধ্যেই থাকুক না কেন এর অর্থ এই নয় যে তিনি এ সংগ্রামে হেরে গিয়েছেন, বরং বিজয় লুকিয়ে থাকতে পারে পরাজয়ের রূপে এবং এসকল পরিস্থিতির সম্মুখীন হবার পরও সেই দা’য়ীর মুখ থেকে তার সকল চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা এবং সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে সেগুলো প্রচার ও বাস্তবায়নের কথা শুনে মানুষেরা বিস্মিত হয়ে যাবে। সুতরাং, একজন দা’য়ীর ঘরে যদি এমন একজন বিচক্ষণ, জ্ঞানী ও চিন্তাশীল স্ত্রী না থাকে যে তার স্বামীর আদর্শে দৃঢ় বিশ্বাসী, তাহলে, কোন সন্দেহ থাকে না যে, সংসারে স্থিরতা রক্ষা করার জন্য প্রধান বিষয়েরই অভাব সেই ঘরে, যার উপস্থিতি পরিবারের অন্যান্য সকল সদস্যদের প্রভাবিত করবে।

) এতে কোন সন্দেহ নেই যে একজন দায়ী, যে মুসলিম উম্মাহকে নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং যে কর্তৃত্বপরায়ণ ফেরাউনদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আহবান করে নিশ্চিতভাবে সে এক পর্যায়ে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়বে যেখানে তার নিজ সন্তানদের জন্য সময় বের করাটাও হবে দূর্লভ কেননা সে প্রচন্ড ব্যস্ত থাকবে এই উম্মাহর সন্তানদের শিক্ষাদানে এবং যার কারণে তার নিজ সন্তানদের শিক্ষাদানের কোন সময়ই থাকবে না তার। অত্যাবশ্যকভাবে তার সন্তানদের জন্য তার একজন ঈমানদার মা এর প্রয়োজন, যে হবে বিশ্বাসীদের মধ্যে অসামান্য এবং যে তার সন্তানদের গড়ে তোলার কাজে তার সাথে যাবতীয় দায়-দায়িত্ব পালন করবে এবং তাদের বাবার অনুপস্থিতিতে তাদের সর্বাত্মক দেখাশুনা করবে, যেটা অপরিহার্যভাবে অসংখ্যবার ঘটবে।

আমাদের শুধুমাত্র সাহাবা এবং তাবেয়ীনদের  থেকে লক্ষ্য করলেই চলবে যাদের সন্তানাদি তো ছিল বৈকি, কিন্তু অত্যন্ত দুর্লভ কিছু উপলক্ষ ছাড়া তাদের কখনো দেখা সাক্ষাৎ হতো না, পক্ষান্তরে অন্যান্যরা এমনও ছিল যারা তাদের স্ত্রীদের সন্তান প্রসবের পর সন্তানের মুখদর্শন পর্যন্ত করেনি কেননা তারা অত্যন্ত ব্যস্ত থাকতো দাওয়াতী কাজে বা যুদ্ধের ময়দানে।

এটা একটা নারীর জন্য অত্যধিক সুনিশ্চিত ব্যাপার যে একটা দায়ীর অত্যাবশ্যকীয়ভাবে প্রয়োজন এমন একজন সহধর্মিনীর যে হবে অসামান্য ঈমানের অধিকারীনী, অন্যান্য নারীদের চেয়ে ব্যতিক্রম অধিকন্তু, একজন দায়ীর স্ত্রীর প্রয়োজন যথোপযুক্ত পুষ্টি গ্রহণের যা তাকে, উপযোগী করে তুলবে সমস্ত প্রতিবন্ধকতায়, দায়িত্বে ও কর্তব্যে উত্তীর্ণ হতে যেগুলোর সম্মুখীন তাকে প্রতিনিয়ত হতে হবে এবং অবিচল থেকে এগুলো তাকে মোকাবিলা করতে হবে। আর এমনটাই ঐ স্বামীকে উৎসাহিত করবে তার কর্মকান্ডে অবিরত থাকতে যেটা তার নিজ সংগ্রামের জন্য সহায়ক; কেননা বিশেষতঃ আমরা যে সময়ে বাস করছি সেখানে আমাদের বিশ্বাসের উপর দৃঢ় থাকাটা অদ্ভুত বা অসাধারন, এবং তারা যারা বিনা সংগ্রামে পরাজয় স্বীকার করার ভনীতা করে (সমঝোতাকারী, মুনাফিক ইত্যাদি) চায় না কিছু করতে। সন্দেহাতীতভাবে, একজন দায়ীর প্রাপ্য একজন অসাধারণ স্ত্রী যে তাকে প্রশান্তি দান করবে, ভালবাসবে এবং আশ্রয় দান করবে।

শ্রদ্ধেয় মুসলিম বোনেরা, আপনারাই আপনার দায়ী স্বামীর আশার আলো কেননা তার কাঁধে অর্পিত দায়িত্ব পালন করার দায়িত্ব আপনারই এবং তাকে সুস্বাস্থ্যের উপযোগী করে তোলা যাতে করে সে দাওয়া কার্যক্রম চালাতে পারে; আপনি আপনার স্বামীকে সহযোগীতা করবেন দৃঢ় থেকে, ধৈর্যশীল হয়ে, সমর্থন যুগিয়ে এবং অনুপ্রেরণা প্রদান করে এবং আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআ’লা কর্তৃক নির্ধারিত সেই ক্বদরকে মেনে নিয়ে যার দ্বারা তিনি আপনাকে একজন দায়ী স্বামী দিয়েছেন এবং এর দ্বারা আপনাকে পরীক্ষা করছেন। নিশ্চিতভাবে, আপনি যদি হক্কের পথে (সত্য) ধৈর্যশীল হন, আপনি পাবেন সর্বশক্তিমান আল্লাহর তরফ থেকে অজস্র পুরস্কার।

 

শ্রদ্ধেয় মুসলিম বোন, আমরা আমাদের উপদেশকে প্রধান চারটি ভাগে সংক্ষেপে আপনার কাছে উপস্থাপন করতে পারিঃ

() খাদিজা (রা) কে আপনার অনুকরণীয় আদর্শ বানান যিনি ছিলেন তার স্বামীর ডান হাত এবং তার প্রশান্ত স্পর্শ পেয়েই আমাদের নবী (সা) এই দীনের দাওয়াত চালিয়ে যেতে পেরেছিলেন। খাদিজা (রা.) তাকে সাহায্যে করেছেন, তার উপর ঈমান এনে তাকে আগলে রেখেছেন এবং তার প্রতি সেই অসামান্য বাণী উচ্চারণ করেছেন:

আল্লাহর কসম! আল্লাহ আপনাকে কখনো ব্যর্থ করবেন না কারণ আপনিই সেই ব্যক্তি যিনি আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করেন; বড় বড় দায়িত্ব পালন করেন, দরিদ্রকে সাহায়্য করেন; দুর্বলকে সাহায্য করেন; ভালো কাজের আদেশ দেন এবং মন্দ কজের নিষেধ করেন এবং সমাজের সকল দুর্নীতির প্রতিরোধ করেন

() রাতের ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠুন আর সেহরীর সময় আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে দো’আ করুন; যেন তাদেরকে অবিচল রাখেন, তিনি যেন তাদেরকে জয়ী করেন, তিনি যেন তাদেরকে সম্মান দান করেন এবং তিনি যেন তাদেরকে সাহায্য দান করেন।

() নিজেকে ব্যস্ত করে তুলুন আপনার স্বামীর সন্তানদের সুষম পুষ্টিদানের, উত্তম জ্ঞানে দিক্ষিত করতে এবং নেক আমলের শিক্ষা প্রদানে যাতে করে তারা পরিপূর্ণ তাকওয়া ও ঈমান অর্জন করতে পারে এবং তাদের মাঝে দৃঢ় বিশ্বাসের বীজ বপন করে দিন তাদের পিতা যার পক্ষে দৃঢ় চিত্ত সেটাই সত্য।

() শ্রদ্ধেয় মুসলিম বোনেরা, আপনার স্বামী যদি একজন দায়ী হয়ে থাকেন তবে এর জন্য গর্বিত হোন যে আপনার স্বামী সত্যকে বহন করছেন এবং দৃঢ় বিশ্বাসী হোন এ ব্যাপারেও যে, তিনি যে হক্কের পতাকা বহন করছেন সেটা কখনও অবনমিত হবে না যদিও বা তিনি কখনও পরাজিত হন

 

 


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

পাঠকের মন্তব্য

Loading Facebook Comments ...

আপনার মন্তব্য লিখুন