স্বামীর ভালবাসা অর্জনের উপায়

43
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না
রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

সমস্ত বোনদের জন্য

  • নারীসুলভ আচরণ করুন (যেমনঃ কোমল হওয়া), স্বামীরা তাদের স্ত্রীর জায়গায় কোন পুরুষ চায় না!
  • সুন্দর/আকর্ষণীও পোশাক পরুন। আপনি যদি গৃহিণী হন, সারাদিন ধরে রাতের পোশাক (ঢিলাঢালা আরামদায়ক পোশাক) পরে থাকবেন না।
  • ঘাম/মশলা জাতীয় গন্ধ থেকে পরিচ্ছন্ন ও সুরভিত থাকুন।
  • আপানর স্বামী বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার সাথে সাথে আপানার যাবতীয় সমস্যার কথা বলা শুরু করবেন না। তাকে কিছুটা মানসিক বিরতি দিন।
  • বার বার জিজ্ঞেস করবে না, ‘কি ভাবছ?’
  • অনবরত দোষারোপ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন, যতক্ষণ পর্যন্ত না আল্লাহ আপনাকে আসলেই সত্যিকার অর্থে অভিযোগ করার মত কিছু দেন।
  • অন্যের কাছে নিজেদের স্বামী-স্ত্রীর সমস্যার কথা বর্ণনা করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন; এমনকি সাহায্য বা পরামর্শ চাওয়ার অজুহাতেও না! আপনি যদি মনে করেন আপনার বৈবাহিক সমস্যার আইনানুগ সমাধান প্রয়োজন, তাহলে এমন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে যান যেঃ
    • কোন অন্যায়ের ব্যপারে ভুল সংশোধনের মাধ্যমে মধ্যস্থতা করে দিতে পারে, যাতে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে আবার সুন্দর সমন্বয়ে মিল হয়ে যায়, অথবা
    • উভয়পক্ষের সম্মতিতে সৌহার্দপূর্ণভাবে বিচ্ছেদ করাতে পারেন।
  • আপানর শাশুড়ির সাথে ভাল আচরণ করুন, যেমনটি আপনি চান আপানার স্বামী আপানার মায়ের সাথে করুক।
  • ইসলামে স্বামী স্ত্রীর অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানুন। অধিকার আদায়ের চেয়ে আপনার দায়িত্ব সঠিকভাবে সম্পাদনের ব্যপারে আগে সজাগ হন।
  • যখন সে ঘরে আসে, দরজায় এমন ভাবে ছুটে যান যেন আপনি তারই অপেক্ষায় ছিলেন। হাসিমুখে তাকে সালাম দিন।
  • আপনার বাসস্থান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন; অন্তত আপনার স্বামী যতটুকু পরিচ্ছন্ন দেখতে পছন্দ করে।
  • তাকে এমন বিষয়ে প্রশংসা করুন যে বিষয়ে তিনি নিজে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী নন (যেমন, চেহারা, বা বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি)। এটা তার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।
  • তাকে বলুন, স্বামী হিসেবে তিনি শ্রেষ্ঠ।
  • তার পরিবার পরিজনের সাথে প্রায়ই যোগাযোগ করুন।
  • তাকে সহজ কোন গৃহস্থালি কাজ দিন, কাজটি করে ফেললে তাকে ধন্যবাদ জানান। এতে সে আরও উৎসাহিত হবে।
  • সে যখন কোন একঘেয়ে কথা বলে, তার কথা ধৈর্য ধরে শুনুন। মাঝে মাঝে তাকে প্রশ্নও করুন যাতে সে বুঝতে পারে আপনি তার কথা আগ্রহ নিয়ে শুনছেন।
  • তাকে ভাল কাজে উৎসাহিত করুন।
  • তার মেজাজ খারাপ থাকে, তাকে কিছুটা সময় একা থাকতে দিন। ইনশাআল্লাহ, একসময় তার মেজাজ ঠিক হয়ে যাবে।
  • আপানাকে খাদ্য ও আশ্রয় দেওয়ার জন্য তাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। এটি অনেক বড় ব্যপার।
  • সে যদি আপানার সাথে রেগে গিয়ে চেঁচাতে থাকে, আপনি চুপ থেকে তাকে চেঁচাতে দিন। দেখবেন আপনাদের বিবাদ অনেক দ্রুত থেমে গেছে। পরে যখন সে শান্ত হবে, তখন আপনি আপনার কথা বোঝাবেন।
  • যখন আপনি তার উপর রেগে যান, তখন বলবেন না যে তিনি আপনাকে রাগিয়েছেন, বরং বলুন তার কাজে আপনি আপসেট হয়েছেন। আপনার রাগকে তার দিকে নির্দেশ না করে তার কাজ বা উদ্ভুত পরিস্থিতির দিকে নির্দেশ করুন।
  • মনে রাখবেন, আপনার স্বামীরও আবেগ অনুভুতি আছে, কাজেই সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
  • তাকে তার বন্ধুদের সাথে কোন রকম অপরাধবোধ ছাড়া কিছু সময় কাটাতে দিন, বিশেষতঃ যদি তারা ভাল মানুষ হয়। তাকে বাইরে যেতে উৎসাহ দিন যাতে সে নিজেকে ঘরের ভেতর ‘আবদ্ধ’ বোধ না করে।
  • স্বামী যদি আপনার কোন সামান্য কাজে বা অভ্যাসে বিরক্ত হয় (যেটি আপনি সহজেই নিয়ন্ত্রন করতে পারেন), সেটি করা বন্ধ করে দিন।
  • আপনার মনের কথা তাকে খোলাখুলি বলতে শিখুন; সে সবসময় বুঝে নেবে বা অনুমান করতে পারবে এমন চিন্তা করবেন না। আপনার অনুভূতি প্রকাশ করা শিখুন।
  • ছোট ছোট বিষয়ে রেগে যাবেন না।
  • তার সাথে হাসি মশকরা করুন, যাতে আপনাদের দুই জনের মনই প্রফুল্ল হয়।
  • তাকে বলুন, আপনি স্ত্রী হিসাবে সেরা, এবং এমন বিষয়ে নিজের উল্লেখ করুন যেটা আপনি জানেন আসলেই প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু অহংকার করে নয়, বিনয় এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে।
  • ইংরেজিতে একটা প্রবাদ আছে- “The way to a man’s heart is through his stomach” তাই তার পছন্দের খাবার তৈরি করা শিখুন।
  • আপনার পরিচিত বা আত্মীয় স্বজনের কাছে কক্ষনও তার বদনাম করবেন না। তারা যদি একথা মেনে নেয় ও বিশ্বাস করা শুরু করে, তাহলে তা আপানকেই পাল্টা আহত করবে। আপনি নিজেই তখন হীনমন্যতায় ভুগবেন এই ভেবে যে আপনার স্বামী খারাপ, আবার অন্যরাও ভাববে যে আপনার স্বামী খারাপ। আল্লাহ বলেছেন –

وَيْلٌ لِّكُلِّ هُمَزَةٍ لُّمَزَةٍ

“ধ্বংস ওই প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য যে পেছনে ও সম্মুখে লোকের নিন্দা করে।” (সুরা হুমাজাঃ১)

  • বুদ্ধিমত্তার সাথে আপনার সময়টাকে কাজে লাগান, এবং আপনার দায়িত্ব সুন্দরভাবে সম্পাদন করুন। এতে আপনিও খুশি হবেন, আপনার স্বামীরও ভাল লাগবে।
  • উপরের  সবগুলো কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করুন; দেখবেন আপনি যা করছেন আল্লাহ তায়ালা তাতে বরকত দেবেন।
  • স্বামী স্ত্রী একে অপরের পছন্দ-অপছন্দ, করণীও-বর্জনীয় বিষয়গুলো বিজ্ঞতার সাথে আলোচনা করবেন। স্বামীকে এমন ভাবে আদেশ বা নির্দেশ দেবেন না যেন মনে হয় সে আপনার ‘অধীনস্ত’।  বরং কুরআনে বলা হয়েছে –

هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ

তারা তোমাদের জন্য আবরণ, এবং তোমরা তাদের জন্য আবরণ (সুরা বাকারাঃ১৮৭)

  • আপনার স্বামীকে বারবার বলুন আপনি তাকে কত ভালোবাসেন।
  • আপনার স্বামীর সাথে খেলাধুলায় প্রতিযোগিতা করুন, এবং তাকে জিততে দিন।
  • সুস্থ থাকুন, এবং নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিন, যাতে বলিষ্ঠ ভাবে একজন মা, স্ত্রী ও গৃহিণীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ এতে আপনি মোটা হবেন না।
  • আচার-আচরনে মার্জিত থাকুন (যেমনঃ ঘ্যানঘ্যান করা, অতি উচ্চস্বরে হাসা বা কথা বলা, থপথপ করে সশব্দে হাঁটাচলা করা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকুন।)
  • স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাইরে যাবেন না, আর তাকে না জানিয়ে তো অবশ্যই বের হবেন না।
  • খেয়াল রাখুন তার পরিধেয় কাপড়গুলো যেন নিয়মিত পরিষ্কার থাকে।
  • জরুরি অথবা বিতর্কিত বিষয়ে তার সাথে এমন সময় আলোচনা করবেন না যখন সে ক্লান্ত অথবা তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। সঠিক সময়ে সঠিক আলোচনা করুন।
  • আপনার স্বামী আপনার জন্য কষ্ট করে কাজ করে উপার্জন করছেন এবং আপনার খাওয়া-পরার বন্দোবস্ত করছেন- এই ব্যপারটির সবসময় প্রশংসা করুন। এতে তার কাজের স্পৃহা বাড়বে।
  • আপনার চুল সব সময় আঁচড়ানো রাখুন।
  • মাঝে মাঝে উপহার দিন। উপহার স্বরূপ তাকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসও দিতে পারেন।
  • তার আগ্রহ ও শখের ব্যপারে আপনিও আগ্রহী হওয়ার চেষ্টা করুন।
  • অতিরিক্ত কেনাকাটা করবেন না…তার সমস্ত টাকা খরচ করে ফেলবেন না।
  • তার জন্য নিজেকে আকর্ষণীও করে সাজান, তার সাথে খুনসুটি করুন।
  • আপনার ত্বকের যত্ন নিন, বিশেষতঃ চেহারার। চেহারাই আকর্ষণের মূল কেন্দ্রবিন্দু।
  • অন্তরঙ্গ ব্যপারে যদি আপনার কোন অসন্তুষ্টি থাকে, তাকে জানান, তার সাথে কথা বলুন। তাকে বুঝতে সাহায্য করুন। নীরব থেকে পরিস্থিতি খারাপ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
  • প্রতিদিন, প্রতি ওয়াক্তের নামাজে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের মধ্যকার ভালবাসার ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে দেন এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেন। দোয়ার মত কার্যকরী কিছুই নেই। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসা তখনই থাকে যখন আল্লাহ তাদের মাঝে এটা দেন।
  • কক্ষনো নিজের স্বামীর সাথে অন্যদের স্বামীর তুলনা করবেন না। যেমনঃ কখনও বলবেন না, ‘অমুকের স্বামী তো এমন করে না, তুমি কেন এমন কর…’
  • আপনার স্বামী যেমন, তাতেই সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করুন। কারণ, কেউ নিখুঁত নয়, আপনিও নন। আর যদি, ত্রুটিহীন, নিখুঁত সঙ্গী চান তাহলে জান্নাতে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ইনশাআল্লাহ সেখানে আপনি এবং আপনার স্বামী দু’জনেই হবেন নিখুঁত ও ত্রুটিহীন।
  • তাহাজ্জুদ নামাজের সময় তাকে ডাকুন এবং আপনার সাথে তাকেও নামাজ পড়তে বলুন।
  • আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের দুজনকেই মুত্তাকী হতে সাহায্য করেন।
  • সর্বাগ্রে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা করুন। যদি সমস্ত স্ত্রীরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টায় রত থাকে, নিশ্চিতভাবেই তারা তাদের স্বামীদের ভালবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারবে। আর মনে রাখবেন, আল্লাহ যদি আপনার উপর সন্তুষ্ট থাকেন, তাহলে ফেরেশতারা আপানাকে ভালবাসবে, সমস্ত সৃষ্টি আপনাকে ভালবাসবে।

আল্লাহ যেন সকল স্বামী স্ত্রীর বন্ধনকে হেফাজত করেন, এবং দ্বীনের শ্রেষ্ঠ আদব সমূহ বোঝার এবং তা কাজে লাগিয়ে সংসার জীবনকে সুন্দর ভাবে পরিচালনা করার তৌফিক দেন। আমীন।

 

Print Friendly, PDF & Email


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

পাঠকের মন্তব্য

Loading Facebook Comments ...

43 মন্তব্য

  1. আসসালামু আলাইকুম,
    এমন মনগড়া একপেশে লিখা আবশ্যই আমাদের জীবনে কল্যানকর হতে পারে না।
    ইসলাম আমাদের এমনটা শেখায় না।
    আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে তাঁকে বোঝার তৌফিক দিন।‌

  2. Keno amra ki aager shoptahe, apnar Wife ke bhalobashun er upor article dei ni? -https://www.quraneralo.com/love-ur-wife/

    Secondly aeta Suhaib Webb er lekha article er translation.. Kono random keu lekhe ni article ta.. 

  3. ‘আপনার স্ত্রীকে ভালবাসুন’  আর্টিকেল টি কি একপেশে মনে হয়নি? আমি একজন বিবাহিতা নারী, আমার কাছে কিন্তু দুইটি আর্টিকেল ই সঠিক মনে হয়েছে।

  4. sister salmaumma……………….you are totally wrong..because you don’t love your husband ………………..so this is your falt……………..love your husband insaallah your problem will solve immediately…………….thank you

  5. amar biye hoyce 3 years but amader valobasha akhono ekebare notun , amader kokhono monei hoyna j atodin hoyce biye, sob kicui amader dujoner understanding & valsbashar jonno, r obossoi ALLAH’r rohmot. amra  sobar kace doa prarthi.

  6. […] You are here: Home » ইসলাম ও নারী » মুসলিম দা‘য়ীদের স্ত্রীগণের প্রতিLoadinggoogle.load('search','1',{language:'en'});google.setOnLoadCallback(function(){var customSearchControl=new google.search.CustomSearchControl('015550131705641343043:n8looflkkv0');customSearchControl.setResultSetSize(google.search.Search.FILTERED_CSE_RESULTSET);customSearchControl.draw('cse');},true);ফেসবুকে আমাদের সঙ্গে থাকুনআজকে প্রথম ভিজিট করেছেন?PureMatrimony.com“পিওর ম্যাট্রিমনি” ওয়েবসাইটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হল আল্লাহ্‌ভীরু মুসলিমদেরকে তাদের নিজেদের সাথে মানানসই জীবন সঙ্গী/সঙ্গিনী খুঁজে পেতে সহায়তা করা। – http://bd.purematrimony.com/কুরআন লার্নিং পেনকুরআন শেখা, পড়া, বুঝা ও মুখস্ত করার নতুন প্রযুক্তি অন্য সদস্যরা এখন কি পড়ছেনবিষয়ের তালিকাএকটি বিভাগ পছন্দ করুনবিষয়  (524)   তাওবা  (5)   দাওআত  (12)   ধর্মীয় দল ও গোষ্ঠী  (11)   নও মুসলিমের কাহিনী  (3)   পরিবার ও সমাজ  (33)   পরকাল  (8)   প্রশ্ন ও উত্তর  (13)   বিয়ে ও তালাক  (2)   বোনদের জন্য  (32)   ভাইদের জন্য  (14)   মুসলিম জাহানের খবর  (12)   যাকাত  (6)   রাসূলুল্লাহ -সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  (23)   রোজা  (47)   শয়তান  (14)   শির্‌ক ও বিদআত  (19)   শিশুদের জন্য  (4)   সাম্প্রতিক বিষয়াদি  (50)   সালাত / নামায শিক্ষা  (50)   সাহাবা  (4)   সাহাবীগন ও সত্যনিষ্ঠ অনুসারীগণের উদ্ধৃতি  (3)   হাদীস  (9)      সহিহ বুখারী  (2)   হজ্জ ও উমরাহ  (15)   জুম’আ  (5)   আদব  (3)   আল্লাহ্ সম্পর্কে  (14)   আখলাক | ব্যক্তিত্ব  (43)   ইতিহাস  (7)   ইবাদত  (46)   ইলম (জ্ঞান)  (7)   ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা  (20)   ইসলাম ও নারী  (7)   ইসলাম ও সমাজ  (31)      Islamic Idea  (4)   ইসলাম ও আধুনিক বিজ্ঞান  (6)   ইসলামী অর্থনীতি  (10)   অন্যান্য  (18)   উৎসাহ উদ্দিপনা মূলক গল্প  (21)   Uncategorized  (6)মালটিমিডিয়া  (16)   ভিডিও লেকচার  (2)   ইসলামিক সফটওয়্যার  (2)   কুরআনের আলো অনলাইন রেডিও  (1)   অডিও লেকচার  (6)ঈমান ও আক্বীদাহ  (41)   তাওহীদ  (18)ইসলামিক বই  (50)   দরসে কুরআন সিরিজ  (2)   ইসলামী বই (পর্যালোচনা/review)  (1)কুর’আন ও তাফসীর  (40) var dropdown=document.getElementById("cat");function onCatChange(){if(dropdown.options[dropdown.selectedIndex].value>0){location.href="https://www.quraneralo.com/?cat="+dropdown.options%5Bdropdown.selectedIndex%5D.value;}}dropdown.onchange=onCatChange;মাস ভিত্তিক পোস্ট শুমুহ মাস নির্বাচন করুন ডিসেম্বর 2012  (21) নভেম্বর 2012  (27) অক্টোবর 2012  (25) সেপ্টেম্বর 2012  (30) আগস্ট 2012  (23) জুলাই 2012  (28) জুন 2012  (26) মে 2012  (33) এপ্রিল 2012  (29) মার্চ 2012  (29) ফেব্রুয়ারী 2012  (21) জানুয়ারী 2012  (33) ডিসেম্বর 2011  (22) নভেম্বর 2011  (11) অক্টোবর 2011  (26) সেপ্টেম্বর 2011  (19) আগস্ট 2011  (19) জুলাই 2011  (20) জুন 2011  (10) মে 2011  (23) এপ্রিল 2011  (10) মার্চ 2011  (16) ফেব্রুয়ারী 2011  (14) জানুয়ারী 2011  (9) ডিসেম্বর 2010  (14) নভেম্বর 2010  (9) অক্টোবর 2010  (10) সেপ্টেম্বর 2010  (12) আগস্ট 2010  (46) জুলাই 2010  (5) বিশেষ নীতিমালাArchives – আর্কাইভএখান থেকে শুরু করুনদায়মুক্তির ছাড়পত্রPrivacy Policyমোবাইলে বই পড়ার জন্য, কিছু ফ্রী আপ্লিকেশনসযোগাযোগ করুনআমাদের সম্পর্কেকুরআনের আলো ওয়েবসাইটে কাজ করুনস্বেচ্ছাসেবক গ্রাফিক ডিজাইনার প্রয়োজনস্বেচ্ছাসেবক অনুবাদক প্রয়োজনকুরআনের আলো অনলাইন রেডিওতে কাজ করুন স্বেচ্ছাসেবক হিসাবেMake Your Mobile Bangla CompatibleMake Your PC Bangla CompatibleSitemap – সাইটম্যাপএখন অনলাইনে আছেন167 জন ভিজিটরমুসলিম দা‘য়ীদের স্ত্রীগণের প্রতি Posted by QuranerAlo Editor • জানুয়ারী ৫, ২০১২ • Printer-friendly Download article as PDF প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন নাহে দা‘য়ীদের (যারা দিন-রাত ইসলামের দিকে আহবানে কর্মরত) স্ত্রীগণ!আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং দৃঢ় থাকো ও ধৈর্য্য ধারণ করনিশ্চয়ই তোমরা তোমাদের স্বামীদের কঠোর সংগ্রামের সফলতা এবং ব্যর্থতার কারণ।একটি প্রবাদ আছে, ‘প্রতিটি মহান পুরুষের সফলতার পিছে রয়েছে একজন মহৎ নারী’। অনেকেই এ প্রবাদের পক্ষে এবং অনেকেই এর বিপক্ষে। তবে আমাদের সকলেরই একথা স্বীকার করতে হবে যে একজন স্বামীর জীবনে তার স্ত্রীর গুরুত্ব অনেক; আর তাদের দায়িত্ব যদি তারা ঠিক মত পালন করে তবেই ইসলাম প্রচার আরও সুষ্ঠ ও সফলতার সাথে হবে। একারণেই আমাদের রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) একাধিক স্থানে নারীদের গুরুত্বের ব্যাপারে জোর দিয়েছেন, তিনি মুসলিম পুরুষদেরকে বিবাহের জন্য দ্বীনি মহিলাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়ার প্রয়োজনীয়তার প্রতি উৎসাহিত করেছেন; যে তার স্বামী, গৃহ ও তার সন্তানদের ব্যাপারে আল্লাহ্কে অধিক ভয় করে।আমরা বিশ্বাস করি কোন ব্যক্তিই আমাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করবেন না যদি আমরা বলি যে অন্য সবার চেয়ে প্রতিটি দা‘য়ীর একজন দুর্লভ, অসাধারণ এবং মহৎ স্ত্রীর প্রয়োজন যে তার দুঃসময়ে এবং সুসময়ে তার পাশে দাড়াবে, তাকে সমর্থন করবে, তার বাড়ীতে থেকে তার কাজ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে, ব্যাপকভাবে ইসলাম প্রচারের কাজে এবং তার লক্ষ্যে পৌঁছানোর ব্যাপারে তাকে উৎসাহিত করবে।দা‘য়ীদের স্ত্রীগণদের যেসকল বৈশিষ্ট থাকা উচিৎ:১) সাধারণ পুরুষদের থেকে একজন দা‘য়ী অনেক ভিন্ন। তার সময়সূচী অন্যদের মত নয় এবং তার উদ্বেগও অন্যদের থেকে পৃথক। সুতরাং তার কর্ম ও প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে অন্যদের থেকে আলাদা হবে। একজন সাধারণ ব্যক্তির উদ্বেগ শুধুমাত্র তার নিজস্ব ব্যাপারে যেমন তার অনড়ব, বস্ত্র ও বাসস্থান। অন্যদিকে, একজন দা‘য়ীর উদ্বেগ শুধুমাত্র এইসব বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয় বরং তার উদ্বেগ আরও উচ্চমাত্রার, যা হলো এই উম্মাহর পুনর্জাগরণ, উম্মাহর দুঃখ-দুর্দশার কারণে তার মন ব্যকুল থাকে এবং সে সর্বদা কর্মরত থাকে এমন এক ভীতিকর পরিস্থিতি পরিবর্তন করে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য।২) আয়-রোজগার এবং পরিবারবর্গের চাহিদা পূর্ণ করার মাধ্যমে কিভাবে সংসারে সুখ আনা যায় এইসব ছাড়া একজন সাধারণ পুরুষের আর অন্য কোন চিন্তা-ভাবনা নেই। অথচ একজন দা’য়ীর চিন্তা, দায়িত্ব ও কাজ সেই সাধারণের থেকে এত বেশি যে তার স্ত্রী ও সন্তানদেরকে সঙ্গ দেয়ার মত সময় তিনি খুব অল্পই পাবেন, আর তার নিজ স্বাস্থ্য ও সম্পত্তির বিষয়টা নাই বা উল্লেখ করলাম। তার ব্যস্ততা এমন পর্যায়েও বৃদ্ধি পেতে পারে যে তার স্ত্রী হয়ত ভাবতে শুরু করবে যে তার স্বামী তাকে অবহেলা করছে এবং তার নিজ পরিবারের দায়িত্ব পালন না করে এই মুসলিম উম্মহর কাজ কর্ম নিয়েই ব্যতিব্যস্ত আছেন।সুতরাং, একজন মুসলিম মহিলা যদি তার স্বামীকে, যিনি একজন দা’য়ী, সমর্থন না করে এবং সাধারণ মহিলাদের থেকে চিহ্নিত করার মত তার বিশেষ কিছু গুণ না থাকে, এবং তার স্বামীর দায়িত্ব ও কর্মের ব্যাপারে লক্ষ্য না রাখে আর এটাও উপলদ্ধি করতে না পারে যে তার স্বামীর এই দায়িত্ব অন্য সকল কিছুর উপর প্রাধান্য পায়; তাহলে নিঃসন্দেহে শত্রু, প্রতিপক্ষ ও কাফেরদের মোকাবেলার এই যাত্রায় সেই দা’য়ীকে আরও কঠোরভাবে শ্রম দিতে হবে ও অনেক বেশি বাধা-বিপত্তির সম্মুখিন হতে হবে। আর এটাই হতে পারে তাদের (স্বামী-স্ত্রীর) সম্পর্কে প্রথম ফাটল।ক্ষমা সূচক দৃষ্টিতে দেখবেন যদি আমরা উদাহরণ সরূপ একটি ঘটনা উল্লেখ করি যা আপনাদের কাছে এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে দিবে, যদিও এর দ্বারা আমরা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বুঝাচ্ছি না। আমরা একজন দা’য়ীকে কল্পনা করি যে তার সমস্ত কর্মশক্তি মানুষদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বানে ব্যয় করে, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করে এবং আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির আশায় এই উম্মাহর অবস্থান উত্তোলনের জন্য সারাদিন পরিশ্রমের পর ঘরে ফিরল।অপ্রত্যাশিতভাবে তিনি লক্ষ্য করলেন যে যখন তিনি ঘরে ফিরলেন সেখানে একজন “মহিলা”(তার স্ত্রী) আছে যে তার এই সারাদিনের কর্মশ্রমকে অবমূল্যায়ন করছে;বিলাপ করছে এবং তার যে দীর্ঘ সময় ঘরে একা থাকতে হয় সে ব্যাপারে অভিযোগ করছে অথবা তার স্বামীর কানে সেই বাধা ধরা এক গুচ্ছ অভিযোগ ও দাবী করেই যাচ্ছে। আর সে এই সব তার স্বামীর মাথার উপর চাপিয়ে দেয় অথচ সে একবারও চিন্তা করেনা যে এর ফলে সে তার স্বামীর বা তাদের মধ্যে যে সম্পর্ক অথবা ইসলাম প্রচারের ক্ষেত্রে কতটা ক্ষতিকর হতে পারে।কল্পনা করুন এমন এক মহিলার কথা যে দীর্ঘসময় তার স্বামীর ইসলাম প্রচারের সকল কার্যকলাপ দেখার পরও; তার কাছে খুব আশ্চর্য মনে হয় তার স্বামীর চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা; আর উম্মাহর এই দুর্বিসহ পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য যে পরিমান কর্মশক্তি প্রয়োজন অথচ সে এসব বিষয়ে মোটেও চিন্তিত নয়। আমি এমন মহিলাদের দেখেছি যারা তাদের স্বামীদের পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাদের নিরুৎসাহিত করে আর তাদের ইচ্ছা ও সংকল্প ধ্বংস করে দেয়। অধিকন্তু, এই দ্বীন ও মুসলিম উম্মাহর প্রতি তার স্বামীর যে উৎকন্ঠা, উদ্দীপনা ও আবেগপূর্ণ আগ্রহ আছে তা নিঃশেষ করে দেয় এবং সকল পন্থায় তাকে নিরুৎসাহিত করে ও তার দায়িত্বের ব্যাপারে তাকে অবচেতন করে রাখে আর এসবের মাধ্যমে তাকে হতাশ ও বিষনড়ব করে তোলে। এবং আরও সে তার স্বামীর কাছে এমন সব আবদার ও দাবী করে যা অপ্রয়োজনীয়, পূর্ণ করা খুব কঠিন অথবা প্রায় অসম্ভব।৩) এই পথে থাকলে যেসকল বাধা বিপত্তির সম্মখিন হতে হয়, যে রক্তাক্ত তীর তার বুকের দিকে ছোড়া হয় আর চারিদিক থেকে যে সকল আক্রমন আসে, এসকল কিছুর জন্য তার অত্যন্ত জরুরী হয়ে উঠে এমন একজন স্ত্রীর সঙ্গ যিনি, ইসলাম প্রচারে তার স্বামীর দায়িত্ব পালনে সকল প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পারে. দুঃসময়ে তার সাথে সহিষ্ণুতা ও ধৈর্য ধারণ করবে এবং তার এই কাটা বিছানো, কঠিন ও কষ্টকর পথে দৃঢ় থাকবে ও সমর্থন করবে। তার অবশ্যই ধৈর্যশীল ও স্থির সংকল্পের অধিকারিনী হতে হবে এবং এটাও উপলব্ধি করতে হবে যে তার স্বামীই প্রথম এবং একমাত্র নয় যিনি এই বিষ্ফোরক ও কাঁটা বিছানো পথে চলছে, বরং ইতিহাসের পাতায় এমন অগণিত মানুষ রয়েছে যাঁরা তাঁদের রক্ত উৎসর্গ করেছেন ইসলাম প্রচার এবং এই দ্বীন কায়েম করার জন্য।তার এই বিষয়টিও উপলব্ধি করতে হবে যে তার স্বামী যত বিপদাপদ, ক্ষয়ক্ষতি আর হুমকির মধ্যেই থাকুক না কেন এর অর্থ এই নয় যে তিনি এ সংগ্রামে হেরে গিয়েছেন, বরং বিজয় লুকিয়ে থাকতে পারে পরাজয়ের রূপে এবং এসকল পরিস্থিতির সম্মুখীন হবার পরও সেই দা’য়ীর মুখ থেকে তার সকল চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা এবং সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে সেগুলো প্রচার ও বাস্তবায়নের কথা শুনে মানুষেরা বিস্মিত হয়ে যাবে। সুতরাং, একজন দা’য়ীর ঘরে যদি এমন একজন বিচক্ষণ, জ্ঞানী ও চিন্তাশীল স্ত্রী না থাকে যে তার স্বামীর আদর্শে দৃঢ় বিশ্বাসী, তাহলে, কোন সন্দেহ থাকে না যে, সংসারে স্থিরতা রক্ষা করার জন্য প্রধান বিষয়েরই অভাব সেই ঘরে, যার উপস্থিতি পরিবারের অন্যান্য সকল সদস্যদের প্রভাবিত করবে।৪) এতে কোন সন্দেহ নেই যে একজন দায়ী, যে মুসলিম উম্মাহকে নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং যে কর্তৃত্বপরায়ণ ফেরাউনদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আহবান করে নিশ্চিতভাবে সে এক পর্যায়ে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়বে যেখানে তার নিজ সন্তানদের জন্য সময় বের করাটাও হবে দূর্লভ কেননা সে প্রচন্ড ব্যস্ত থাকবে এই উম্মাহর সন্তানদের শিক্ষাদানে এবং যার কারণে তার নিজ সন্তানদের শিক্ষাদানের কোন সময়ই থাকবে না তার। অত্যাবশ্যকভাবে তার সন্তানদের জন্য তার একজন ঈমানদার মা এর প্রয়োজন, যে হবে বিশ্বাসীদের মধ্যে অসামান্য এবং যে তার সন্তানদের গড়ে তোলার কাজে তার সাথে যাবতীয় দায়-দায়িত্ব পালন করবে এবং তাদের বাবার অনুপস্থিতিতে তাদের সর্বাত্মক দেখাশুনা করবে, যেটা অপরিহার্যভাবে অসংখ্যবার ঘটবে।আমাদের শুধুমাত্র সাহাবা এবং তাবেয়ীনদের  থেকে লক্ষ্য করলেই চলবে যাদের সন্তানাদি তো ছিল বৈকি, কিন্তু অত্যন্ত দুর্লভ কিছু উপলক্ষ ছাড়া তাদের কখনো দেখা সাক্ষাৎ হতো না, পক্ষান্তরে অন্যান্যরা এমনও ছিল যারা তাদের স্ত্রীদের সন্তান প্রসবের পর সন্তানের মুখদর্শন পর্যন্ত করেনি কেননা তারা অত্যন্ত ব্যস্ত থাকতো দাওয়াতী কাজে বা যুদ্ধের ময়দানে।এটা একটা নারীর জন্য অত্যধিক সুনিশ্চিত ব্যাপার যে একটা দায়ীর অত্যাবশ্যকীয়ভাবে প্রয়োজন এমন একজন সহধর্মিনীর যে হবে অসামান্য ঈমানের অধিকারীনী, অন্যান্য নারীদের চেয়ে ব্যতিক্রম। অধিকন্তু, একজন দায়ীর স্ত্রীর প্রয়োজন যথোপযুক্ত পুষ্টি গ্রহণের যা তাকে, উপযোগী করে তুলবে সমস্ত প্রতিবন্ধকতায়, দায়িত্বে ও কর্তব্যে উত্তীর্ণ হতে যেগুলোর সম্মুখীন তাকে প্রতিনিয়ত হতে হবে এবং অবিচল থেকে এগুলো তাকে মোকাবিলা করতে হবে। আর এমনটাই ঐ স্বামীকে উৎসাহিত করবে তার কর্মকান্ডে অবিরত থাকতে যেটা তার নিজ সংগ্রামের জন্য সহায়ক; কেননা বিশেষতঃ আমরা যে সময়ে বাস করছি সেখানে আমাদের বিশ্বাসের উপর দৃঢ় থাকাটা অদ্ভুত বা অসাধারন, এবং তারা যারা বিনা সংগ্রামে পরাজয় স্বীকার করার ভনীতা করে (সমঝোতাকারী, মুনাফিক ইত্যাদি) চায় না কিছু করতে। সন্দেহাতীতভাবে, একজন দায়ীর প্রাপ্য একজন অসাধারণ স্ত্রী যে তাকে প্রশান্তি দান করবে, ভালবাসবে এবং আশ্রয় দান করবে।শ্রদ্ধেয় মুসলিম বোনেরা, আপনারাই আপনার দায়ী স্বামীর আশার আলো কেননা তার কাঁধে অর্পিত দায়িত্ব পালন করার দায়িত্ব আপনারই এবং তাকে সুস্বাস্থ্যের উপযোগী করে তোলা যাতে করে সে দাওয়া কার্যক্রম চালাতে পারে; আপনি আপনার স্বামীকে সহযোগীতা করবেন দৃঢ় থেকে, ধৈর্যশীল হয়ে, সমর্থন যুগিয়ে এবং অনুপ্রেরণা প্রদান করে এবং আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআ’লা কর্তৃক নির্ধারিত সেই ক্বদরকে মেনে নিয়ে যার দ্বারা তিনি আপনাকে একজন দায়ী স্বামী দিয়েছেন এবং এর দ্বারা আপনাকে পরীক্ষা করছেন। নিশ্চিতভাবে, আপনি যদি হক্কের পথে (সত্য) ধৈর্যশীল হন, আপনি পাবেন সর্বশক্তিমান আল্লাহর তরফ থেকে অজস্র পুরস্কার। শ্রদ্ধেয় মুসলিম বোন, আমরা আমাদের উপদেশকে প্রধান চারটি ভাগে সংক্ষেপে আপনার কাছে উপস্থাপন করতে পারিঃ(১) খাদিজা (রা) কে আপনার অনুকরণীয় আদর্শ বানান যিনি ছিলেন তার স্বামীর ডান হাত এবং তার প্রশান্ত স্পর্শ পেয়েই আমাদের নবী (সা) এই দীনের দাওয়াত চালিয়ে যেতে পেরেছিলেন। খাদিজা (রা.) তাকে সাহায্যে করেছেন, তার উপর ঈমান এনে তাকে আগলে রেখেছেন এবং তার প্রতি সেই অসামান্য বাণী উচ্চারণ করেছেন: “আল্লাহর কসম! আল্লাহ আপনাকে কখনো ব্যর্থ করবেন না কারণ আপনিই সেই ব্যক্তি যিনি আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করেন; বড় বড় দায়িত্ব পালন করেন, দরিদ্রকে সাহায়্য করেন; দুর্বলকে সাহায্য করেন; ভালো কাজের আদেশ দেন এবং মন্দ কজের নিষেধ করেন এবং সমাজের সকল দুর্নীতির প্রতিরোধ করেন।”(২) রাতের ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠুন আর সেহরীর সময় আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে দো’আ করুন; যেন তাদেরকে অবিচল রাখেন, তিনি যেন তাদেরকে জয়ী করেন, তিনি যেন তাদেরকে সম্মান দান করেন এবং তিনি যেন তাদেরকে সাহায্য দান করেন।(৩) নিজেকে ব্যস্ত করে তুলুন আপনার স্বামীর সন্তানদের সুষম পুষ্টিদানের, উত্তম জ্ঞানে দিক্ষিত করতে এবং নেক আমলের শিক্ষা প্রদানে যাতে করে তারা পরিপূর্ণ তাকওয়া ও ঈমান অর্জন করতে পারে এবং তাদের মাঝে দৃঢ় বিশ্বাসের বীজ বপন করে দিন তাদের পিতা যার পক্ষে দৃঢ় চিত্ত সেটাই সত্য।(৪) শ্রদ্ধেয় মুসলিম বোনেরা, আপনার স্বামী যদি একজন দায়ী হয়ে থাকেন তবে এর জন্য গর্বিত হোন যে আপনার স্বামী সত্যকে বহন করছেন এবং দৃঢ় বিশ্বাসী হোন এ ব্যাপারেও যে, তিনি যে হক্কের পতাকা বহন করছেন সেটা কখনও অবনমিত হবে না যদিও বা তিনি কখনও পরাজিত হন।   *রিপোর্ট করুনform.feedburner{clear:both;display:block;margin:20px 0 0}.dcstyle{-moz-border-radius:4px;-moz-box-shadow:1px 1px 2px #CCC inset;-webkit-border-radius:4px;-webkit-box-shadow:1px 1px 2px #CCC inset;background:url(http://3.bp.blogspot.com/-pl1ECUAcVEQ/T4YS7ZgR_uI/AAAAAAAAB_k/R92yDhiO65Q/s400/email_icon.png) no-repeat scroll 4px center transparent;border:1px solid #D3D3D3;border-radius:4px;box-shadow:1px 1px 2px #CCC inset;color:#666;font-weight:bold;padding:7px 15px 7px 35px;text-decoration:none}.dcsubmit{-goog-ms-border-radius:4px;-moz-border-radius:4px;-webkit-border-radius:4px;background:linear-gradient(top,#fbfbfb0%,#f4f4f4100%);border:1px solid #D3D3D3;border-radius:4px;color:#666;cursor:pointer;filter:progid:DXImageTransform.Microsoft.gradient(startColorstr='#FBFBFB',endColorstr='#F4F4F4',GradientType=0);font-weight:bold;padding:6px 15px;text-decoration:none}#emailwidget-outer{-goog-ms-border-radius:10px 10px 10px 10px;-moz-border-radius:10px;-moz-transition:all .3s ease-out;-ms-transition:all .3s ease-out;-o-transition:all .3s ease-out;-webkit-border-radius:10px 10px 10px 10px;-webkit-transition:all .3s ease-out;background:none repeat scroll 0 0 transparent;border:1px solid #D3D3D3;border-radius:10px;padding:8px;transition:all .3s ease-out;width:600px}#emailwidget-outer:hover{-moz-box-shadow:1px 1px 2px #CCC inset;-webkit-box-shadow:1px 1px 2px #CCC inset;background:none repeat scroll 0 0 #FFF;box-shadow:1px 1px 2px #CCC inset}#emailwidget-outer td{padding:3px 0}প্রতিদিন ফ্রী আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন […]

  7. […] মুসলিম দা‘য়ীদের স্ত্রীগণের প্রতি মুসলিম দা‘য়ীদের স্ত্রীগণের প্রতি প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালুহে দা‘য়ীদের (যারা দিন-রাত ইসলামের দিকে আহবানে কর্মরত) স্ত্রীগণ! […]

  8. Important article. a suggestion+request from me as brother, please don’t post pic of woman’s hand/face, an islamic website should be fitna free. You guys should try to realise that a muslim visit a n Islamic website thinking that he/she would not see such pic that would cause may be a fitna for him/her.

  9. Important article. a suggestion+request from me as brother, please don’t post pic of woman’s hand/face, an islamic website should be fitna free. You guys should try to realise that a muslim visit a n Islamic website thinking that he/she would not see such pic that would cause may be a fitna for him/her.

  10. Important article. a suggestion+request from me as brother, please don’t post pic of woman’s hand/face, an islamic website should be fitna free. You guys should try to realise that a muslim visit a n Islamic website thinking that he/she would not see such pic that would cause may be a fitna for him/her.

  11. Important article. a suggestion+request from me as brother, please don’t post pic of woman’s hand/face, an islamic website should be fitna free. You guys should try to realise that a muslim visit a n Islamic website thinking that he/she would not see such pic that would cause may be a fitna for him/her.

  12. Apnara eto eto post dichhen,bt amra mbl user ra konotai porte parchhina…apnara etar kono solution o dichhen na,tahole ei page a amra mbl user ra theke r ki korbo???

  13. সকল মুনিনা স্ত্রিরা যেন এই ভাবে স্বামীর ভালবাসা অর্জনের চেষ্টা করে আল্লাহ্‌ আপনি সেই মানসিকতা তাদের মধ্যে সৃষ্টি করে দিন আমিন !!!!!

  14. আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকেই হেদায়েত দেন এবং প্রত্যক নারীরা যেন তাদের স্বামির ভালোবাসা অর্জনে সক্ষম হয় আমিন…

  15. এমন বৌ কোনে পাই? আপনেরা দোয়া রাইখবার পারেন যেন আর বৌ সেরম অয়।

  16. এমন বৌ কোনে পাই? আপনেরা দোয়া রাইখবার পারেন যেন আর বৌ সেরম অয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.